খুবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে লড়বে আ. লীগ-বিএনপি সমর্থিত ৩ প্যানেল

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৩১ এএম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে লড়বে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত তিন প্যানেল। আগামী ১৭ ডিসেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা ও প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ও প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস।

ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর মো. খসরুল আলম ও প্রফেসর শরীফ মোহাম্মদ খান শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের ব্যানারে অথবা প্যানেল করে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।

এ জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৩ পদের বিপরীতে তিন প্যানেলের ৩৯ জন শিক্ষক স্বতন্ত্র প্রার্থিতা জমা দিয়েছেন। প্রার্থিতা জমা দেওয়া সকলেই স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন সমর্থিত।

অ্যাসোসিয়েশন (এনটিএ) সমর্থিত স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী প্রসেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা বলেন, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার এবং সামগ্রিক মান উন্নয়নে কাজ করব। ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী মো. খসরুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখার পাশাপাশি ছাত্র শিক্ষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় রক্ষা করব। বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ছাত্র শিক্ষকদের কল্যাণে নিয়োজিত থাকব এবং ছাত্র সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ শিক্ষকদের গবেষণার বিষয়ে সার্বিক দিক দিয়ে নজর দিব।

ভোট দিতে পারছেন না ১৮ শিক্ষক

এদিকে ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ১৮ জন শিক্ষক। এই শিক্ষকের মধ্যে ১৭ জন এরই মধ্যে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর চিঠি দিয়ে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি করেছেন।

ভোটাধিকার প্রয়োগের দাবিতে চিঠি দেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে আইন ডিসিপ্লিনের ৫ জন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ৫ জন, রসায়ন ডিসিপ্লিনের একজন ও চারুকলা স্কুলের ৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। তারা গত ২ ডিসেম্বর খুবিতে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গঠনতন্ত্রের ভোটার হবার একটি ধারা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমান শিক্ষক সমিতির একাংশের বিরোধিতার কারণে তারা এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সারওয়ার জাহান বলেন, বিগত বছরগুলোতে নিয়োগ পাওয়ার পরপরই শিক্ষকরা সমিতির চাঁদা পরিশোধ করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। কিন্তু এবারই প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হলেন। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।

অন্যদিকে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষক সমিতির সদস্য হবার চাঁদা নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে কাটার কথা অথচ তারা এখনো বেতন পাননি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত