ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামা দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে নিজের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দেশটির সাবেক পেসার ইরফান পাঠান।
রবিবার রাতে একাধিক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
টুইটারে পাঠান লিখেছেন, ‘আজীবন রাজনৈতিক দোষারোপের পালা চলতেই থাকবে। কিন্তু আমি এবং আমার দেশ চিন্তিত জামিয়া মিলিয়ার শিক্ষার্থীদের নিয়ে।’
বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের দিকে পাথর ছুড়ে মারা হলে তারা টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অন্তত তিনটি বাস ও বেশ কিছু মোটর সাইকেল জালিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মারধর করে।
পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ থামাতে যা করা প্রয়োজন ছিল তারা তাই করেছে।
দক্ষিণ দিল্লির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের স্কুলগুলো সোমবার বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সংশোধিত আইনটিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে শরণার্থী হিসেবে হিন্দু, পারসি, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা আশ্রয় নিতে বাধ্য হলে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সেখানে প্রতিবেশী দেশ থেকে যাওয়া মুসলিমদের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।
আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষোভ করছে মানুষ। গত পাঁচ দিনের অস্থিরতায় সেসব জায়গায় মারা গেছে ছয় জন।
