নির্বাচন কমিশন কি কোনোদিন একটি দলের জেতার জন্য কাজ করে: সিইসি

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৬ পিএম

নির্বাচন কমিশন কখনো একটি দলের জেতার জন্য কাজ করে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

রোববার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তফসিল ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমনটা বলেন সিইসি।

রবিবার রাজধানীর আগারগাওঁয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে কে এম নুরুল হুদা দুই সিটির তফসিল ঘোষণা করেন। এ সময় ইসি সচিব মো. আলমগীর সহ বাকি চার কমিশনারা উপস্থিত ছিলেন।

এই নির্বাচন কি সব দলের জন্য, নাকি একটি দলকে জেতানোর জন্য সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কেএম নূরুল হুদা বলেন, ‘এটা কোনো কথা হলো। নির্বাচন কমিশন কি কোনোদিন একটি দলের জেতার জন্য কাজ করে? সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে। এটা চিন্তা করার অবকাশ নেই।’  

তফসিল অনুযায়ী ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে ঢাকার দুই সিটিতে। ভোট দিতে হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত দুই সিটিতে একটানা ভোট চলবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, বাছাই ২ জানুয়ারি ও প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. আবুল কাশেম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশেরন (ডিএনসিসি) এবং যুগ্ম সচিব আব্দুল বাতেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি (ডিএসসিসি) করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

এসময় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার আহবান জানিয়ে সিইসি কেএম নুরুল হুদা বলেন, ‘ভোটারদের উদ্দেশে বলছি, আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসেন। নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের দায়িত্ব আমরা নেব। সুতরাং ভোটাররা ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন। সেই নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। তাই আহ্বান করবো-ভোটাররা যেন ভোট দিতে আসেন।’

নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা আদালতে গেলে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে ব্যক্তি কখন নির্বাচন হলো কি না হলো, সেটা নিয়ে কিছু বলা নেই আইনে। সিটির মেয়াদের কথা আইনে বলা আছে। তাই আইনি জটিলতা হবে না।’

নতুন ভোটররা কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারবে না জানিয়ে সিইসি বলেন, নতুন ভোটার হবে ৩১ জানুয়ারির পর।

বর্তমান মেয়ররা নির্বাচন করতে চাইলে তাদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আর করপোরেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নির্ধারণ করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে সেনা থাকবে না। পুলিশ, বিজিবি থাকবে। তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন পরিচালনার জন্য প্রতি কেন্দ্রে দুই জন করে সেনা সদস্য থাকবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত