সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরী আর নেই। রবিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে নিজের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহে.... রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান জানিয়েছেন।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতির মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।
সাইফুর রহমান জানান, সোমবার সকালে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে বিচারপতি মাহমুদল আমীন চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সকালে তার মরদেহ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে রাখা হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে সিলেটে। সেখানে জানাজা শেষে রাতে হজরত শাহজালালের মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরী ছিলেন দেশের একাদশ প্রধান বিচারপতি। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি লতিফুর রহমান অবসর নেওয়ার পর তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
২০০১ সালের ১ মার্চ থেকে ২০০২ সালের ১৭ জুন পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন মাহমুদুল আমীন।
১৯৬৩ সালে আইনজীবী হিসেবে সিলেট জেলা বারে যোগ দেন তিনি। এছাড়া, ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০২ সালের ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্চ আদালতে বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৯ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হন তিনি। তার আগে ১৯৬৩ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন মাহমুদুল আমীন চৌধুরী।
তার জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ জুন। তার বাবা আব্দুল গফুর চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
মাহমুদুল আমীন চৌধুরী সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। এরপর এমসি কলেজ থেকে স্নাতক এবং ঢাকা সিটি ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন।
