কৃষকের ধানের যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে এলাকাভিত্তিক শস্য সংরক্ষণাগার ও ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক)। একই সঙ্গে মজুত ক্ষমতা ১ কোটি মেট্রিক টনে উন্নীত করার প্রস্তাব করেছে তারা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ধানের ন্যায্যমূল্য: সংকট ও প্রস্তাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এ দাবি জানায় সংগঠন দুটি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বারসিকের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষকদের শ্রমে ঘামে উৎপাদিত ধানের বাজারমূল্য কম থাকায় কৃষকরা বর্তমানে দিশেহারা। প্রতিবছর লোকসান গুনে গুনে কৃষির উপর দিনদিন আস্থা হারিয়ে ফেলছে দেশের কৃষকরা। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে উৎপাদিত ধানের ‘ন্যায্যমূল্য’ নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা শুধুমাত্র কৃষকের জীবন জীবিকার প্রশ্ন নয়, এটি দেশের আপামর জনগণের জন্য প্রয়োজন। ধানের উৎপাদন খরচের প্রায় অর্ধেক মূল্য পাচ্ছেন কৃষকরা। প্রতি কেজি ধান উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ হয় ২০-২২টাকা আর বর্তমানে কৃষকের বিক্রি করতে হচ্ছে ১২-১৩ টাকায়। ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের মজুত ক্ষমতা ১ কোটি টনে উন্নীত কারারও দাবি জানান তিনি।
সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পবার সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, সাবেক সাংসদ ও কৃষক নেতা ছবি বিশ্বাস।
