বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উৎসবের ১৪তম দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার মঞ্চায়িত হয়েছে গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘অষ্টক পালা’। এ ছাড়া ভোলা, সাতক্ষীরা, সুনামগঞ্জ ও ঝিনাইদহ জেলার শিল্পীরা অংশ নেন বিভিন্ন পরিবেশনায়। বিকেল ৪টায় শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের আয়োজন। পরে শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনার পাশাপাশি আজহারুল হক আজাদের পরিচালনায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে ‘বাক শিল্পাঙ্গন’-এর শিল্পীরা। পরে ভোলা, সুনামগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও ঝিনাদহের শিল্পীরা অংশ নেন সমবেত সংগীত, দলীয় নৃত্য ও একক সংগীতের পরিবেশনায়। পাশাপাশি যন্ত্রসংগীতও পরিবেশন করেন শিল্পীরা। রাত ৮টায় দর্শনির বিনিময়ে মঞ্চস্থ হয় সুকলাল মন্ডলের পরিচালনায় অষ্টক পালা ‘চ-ীদাস রজকিনী’। পরিবেশন করেন আলালপুরের রাজবাগ অষ্টক দলের শিল্পীরা।
আজ উৎসবের ১৫তম দিনে রয়েছে হবিগঞ্জ, খুলনা, দিনাজপুর ও নেত্রকোনা জেলার শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পরে রাত ৮টায় দর্শনির বিনিময়ে অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘গাজী কালুর কিচ্ছা’। উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উৎসব’। চলবে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
‘বিকেন্দ্র অভিমুখ নাট্য আয়োজন’ নিয়ে চট্টগ্রামে অনুস্বর ও আপস্টেজ
অনুস্বর নাট্যদল ‘বিকেন্দ্র অভিমুখ নাট্য আয়োজন’ শিরোনামে ঢাকার বাইরে নিয়মিত নাট্য মঞ্চায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের প্রথম আয়োজন থিয়েটার ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। এতে মঞ্চায়িত হবে অনুস্বর নাট্যদলের প্রযোজনা ‘অনুদ্ধারণীয়’ এবং আপস্টেজ নাট্যদলের প্রযোজনা ‘রাত ভরে বৃষ্টি’। উৎসবের দ্বিতীয় দিন শনিবার সন্ধ্যায় অনুস্বর মঞ্চায়ন করবে তাদের প্রথম প্রযোজনা ‘অনুদ্ধারণীয়’। বুদ্ধদেব বসুর গল্প নিয়ে এর নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন ড. মোহাম্মদ বারী।
