মাগরিবের সময় ইয়েমেনের সেনা ক্যাম্পে হামলা, নিহত ৬০

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ০১:৪১ পিএম

ইয়েমেনের একটি সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ৬০ জনকে হত্যা করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। আল অ্যারাবিয়া জানিয়েছে, হামলার সময় ক্যাম্পের মসজিদে সেনারা মাগরিবের নামাজ পড়ছিলেন।

খবরে বলা হয়, ইয়েমেনের মারিব শহরে ড্রোনের সাহায্যে মিসাইল ছোড়ে হামলাকারীরা।

মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন বসতি আর আরব বিশ্বের সবচেয়ে গরিব দেশ ইয়েমেন। গৃহযুদ্ধে দেশটি পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সেখানে লড়াইয়ের শুরু হয় আরব বসন্ত দিয়ে, যার মাধ্যমে আসলে দেশটিতে স্থিতিশীলতা আসবে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ঘটেছে উল্টোটা।

২০১১ সালে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহকে তার ডেপুটি আবদারাবুহ মানসুর হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট হাদিকে অনেকগুলো সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। আল কায়েদার হামলা, দক্ষিণে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন, সালের প্রতি অনেক সামরিক কর্মকর্তার আনুগত্য। এর বাইরে দুর্নীতি, বেকারত্ব আর খাদ্য সংকট তো ছিলই।

নতুন প্রেসিডেন্টের দুর্বলতার সুযোগে ইয়েমেনের শিয়া মুসলিম নেতৃত্বের হুতি আন্দোলনের কর্মীরা সাডা প্রদেশ এবং আশপাশের এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এ সময় অনেক সুন্নিরাও তাদের সমর্থন জোগায়।

এরপর বিদ্রোহীরা সানা অঞ্চলেরও নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নেয়। এক সময় দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর এডেন থেকে বিদেশে পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট হাদি।

এসবের পেছনে ইরান সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু হাদিকে ইয়েমেনে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে সৌদি আরবসহ অন্য আটটি সুন্নি দেশ এক জোট হয়ে ইয়েমেনে অভিযান শুরু করে। এই জোটকে লজিস্টিক আর ইন্টেলিজেন্স সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য আর ফ্রান্স।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত