খেলাঘর ও মুক্তিযুদ্ধ

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ১২:৫৮ এএম

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘর। এ সংগঠনের নাড়ির সংযোগ বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে। শিশু-কিশোরদের শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ক্ষেত্রে নিরলস কাজ করে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের যোগ্য এবং সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার পথে সব ভালো কাজের একনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে আছে খেলাঘর। শুধু শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই নয়, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার আগে ও পরে প্রগতিশীল সব আন্দোলন-সংগ্রামে সংগঠনভাবে খেলাঘর এবং খেলাঘরের নেতাকর্মীরা অত্যন্ত সক্রিয় ও কার্যকর অবদান রেখেছেন, এখনো রাখছেন।

খেলাঘরের সবচেয়ে বড় অবদান এই, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুরো সংগঠনই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। খেলাঘরের সে সময়ের কেন্দ্রীয় কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। খেলাঘরের প্রথম যুগের কর্মীদের অনেকেই ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব ইতিহাস খেলাঘরের প্রবীণ সদস্যদের অনেকেরই জানা। খেলাঘর নিয়ে যখনই আলোচনা হয়, তখনই এসব কাহিনী-বর্ণনা উচ্চারিত হয় বিভিন্ন ব্যক্তির মুখে।

খেলাঘরের জন্ম ১৯৫২ সালের ২ মে। তবে প্রকৃত শিশু-কিশোর সংগঠন বলতে যা বোঝায়, ঠিক সেভাবে খেলাঘর সৃষ্টি হয়নি। এর সৃষ্টিতেও সৃজনশীলতার ছোঁয়া আছে। খেলাঘর আসলে আমাদের সামনে এসেছিল সংবাদপত্রের শিশু-কিশোর সাহিত্য পাতা হিসেবে। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দৈনিক সংবাদপত্র ‘দৈনিক সংবাদ’-এর সাপ্তাহিক শিশু সাহিত্য পাতার নাম ছিল ‘খেলাঘর’। বাংলাদেশের সে সময় কিশোর সাহিত্যচর্চা করে এমন একদল তরুণ লেখক খেলাঘর পাতায় লেখালেখি শুরু করে। এর মধ্য দিয়ে তাদের এক ধরনের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। একইভাবে খেলাঘরকে ঘিরে একদল তরুণ ও উদীয়মান লেখক নিয়মিত ভিড় জমা জমাতে থাকে সংবাদ কার্যালয়ে। তখন সংবাদের খেলাঘর পাতার পরিচালক ছিলেন কবি হাবিবুর রহমান। খেলাঘর পাতার পরিচালককে (সম্পাদক) বলা হতো খেলাঘরের ‘ভাইয়া’। দৈনিক সংবাদের অফিস তখন ছিল পুরান ঢাকার ২৬৩ নম্বর বংশালে। সেই অফিসে খেলাঘর পাতায় লেখা জমা দিতে, লেখা নিয়ে আলোচনা করতে নিয়মিত যাওয়া-আসা করতে শুরু করে সেই তরুণ লেখক দল। এভাবেই তাদের মধ্যে খেলাঘরকে একটি সংগঠনে রূপ দেওয়ার চিন্তা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংগঠনও গড়ে ওঠে। শুরুতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে শাখা খেলাঘর আসর গড়ে তোলা হয়। ইতিহাসের দিকে চোখ রাখলে দেখা যায়, পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডে (জেলখানা রোড) দীন মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বে প্রথম শাখা আসর গঠিত হয়। শাখার নাম রাখা হয় ‘আমাদের খেলাঘর’। এভাবেই চলতে থাকে খেলাঘরের এগিয়ে যাওয়া। ১৯৫৬ সালের খেলাঘরের প্রথম কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে বছরই ২২ জুলাই বংশালে দৈনিক সংবাদের অফিসে এক সভায় কেন্দ্রীয় খেলাঘর পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়। সাংবাদিক সৈয়দ নূরউদ্দিন ও তরুণ লেখক আল কামাল আবদুল ওহাব নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ সালে গঠিত দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় কমিটিতে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ছেলে মুহম্মদ সফিউল্লাহ সভাপতি ও আল কামাল আবদুল ওহাব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

খেলাঘর যেহেতু গঠিত হয়েছে বিশেষত তরুণ লেখকদের উদ্যোগে, ফলে শুরুর দিকে খেলাঘরের প্রধান কাজ ছিল সাহিত্যচর্চা এবং অলিখিতভাবে খেলাঘরের সদস্যদের প্রগতিশীল আদর্শে উদ্বুদ্ধ করা। লেখালেখিতেও প্রগতিশীলতার ছোঁয়া যাতে থাকে, অর্থাৎ সমাজের অবহেলিত শ্রেণি নিয়ে লেখালেখিতে বেশি উৎসাহ দেওয়া হতো। এভাবে ১৯৫২ থেকে ৬০ সাল পর্যন্ত খেলাঘর ছিল সাহিত্যচর্চাভিত্তিক সংগঠন।

এ সময় দৈনিক সংবাদে কিছু পরিবর্তন ঘটে। ১৯৬৪ সালে বজলুর রহমান খেলাঘরের পরিচালকের (খেলাঘরের ভাইয়া) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি খেলাঘরকে সমাজভিত্তিক শিশু সংগঠনের দিকে নিয়ে যান। বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের আন্দোলন এ সময় খেলাঘরের মৌলিক চেতনা হয়ে ওঠে। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করার আদর্শ এবং দেশের শিশু-কিশোরদের সমাজসচেতন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে খেলাঘর এগিয়ে যেতে থাকে। এ সময় অসাম্প্রদায়িক, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিকবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা খেলাঘরের মূল লক্ষ্য ছিল। শিশু-কিশোরদের সুস্থ দেহ ও মন গঠন, সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিজ্ঞানচর্চা এবং সৃজনশীল কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিভার বিকাশ এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শিক্ষার প্রসারে আগ্রহী এবং প্রীতি, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসার ওপর জোর দেওয়া হয়। পৃথিবীর সব দেশের সব মানুষের শান্তি ও স্বাধীনতা, মুক্তিকামী মানুষের সঙ্গে একাত্মতার ওপর ভিত্তি করে খেলাঘরের সব কর্মকাণ্ড ঢেলে সাজানো হয়। খেলাঘর কখনোই এমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করেনি, যার সঙ্গে শিশু-কিশোরদের গড়ে তোলা এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সম্পর্ক নেই। খেলাঘর সব সময়ই নজর রেখেছে শিশু-কিশোরদের প্রতি। দেশের কোথাও কখনো শিশু-কিশোর নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে খেলাঘরই প্রথম প্রতিবাদের ঝা-া তুলে ধরেছে। এ ব্যাপারে শত শত উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। খেলাঘরের এসব সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের ফল হিসেবে পাওয়া গেছে একঝাঁক প্রগতিশীল আদর্শ এবং পেশাগত দক্ষ মানুষ যারা স্বাধীনতার পর থেকে মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তির জায়গায় অগ্রগণ্য মানুষ হিসেবে দায়িত্ব এখনো পালন করছেন। তাদের অনেকেই দেশের বিশিষ্টজন। বর্তমানে সারা দেশে খেলাঘরের ছয় শতাধিক শাখা আসর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

আগেই বলেছি, খেলাঘরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে সংগঠনগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা। মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতন-সামাজিক বৈষম্যবিরোধী সব আন্দোলনে খেলাঘরকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশে পাকিস্তান বাহিনী নির্মম গণহত্যা শুরু এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার পর, খেলাঘর নেতারা বৈঠক করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। দেশের সব খেলাঘরকর্মীকে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা প্রতিটি খেলাঘর শাখা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করে যার যার অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। খেলাঘরের বেশির ভাগ সদস্যই প্রগতিশীল রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। বিভিন্ন রণাঙ্গনে তারা সাহসের সঙ্গে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে খেলাঘরের কয়েকজন সদস্য শহীদ হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শহীদুল্লাহ সাউদ ছিলেন সবচেয়ে কমবয়সী মুক্তিযোদ্ধা। নারায়ণগঞ্জের গোদনাইলের ঝিলিমিলি খেলাঘর আসরের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গোদনাইল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র শহীদুল্লাহ সাউদ কুমিল্লার বেতিয়ারা গ্রামে পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন।

মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর খেলাঘরের কাজের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্বাধীন দেশে শিশু-কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করে খেলাঘর। এ ক্ষেত্রে খেলাঘরের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের দায়িত্বও আরও বৃদ্ধি পায়। সবাই সে দায়িত্ব দেশ গড়ার দায়িত্ব হিসেবে কাঁধে তুলে নেন। স্বাধীনতার পর খেলাঘরের মূল সেøাগান হয়ে দাঁড়ায় ‘এসো গড়ি খেলাঘর, এসো গড়ি বাংলাদেশ’। এ স্লোগান দিয়ে খেলাঘরের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় তাদের শাখা গড়ে তোলেন, শিশু-কিশোরদের খেলাঘরের পতাকাতলে সমবেত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

স্বাধীনতার পর খেলাঘর শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের কর্মকাণ্ড আরও বিস্তার ঘটান। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত খেলাঘরের প্রথম জাতীয় সম্মেলনে ‘শিশু অধিকার ও বিজ্ঞান আন্দোলন’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খেলাঘরের বিজ্ঞান আন্দোলন বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্ক চেতনা সৃষ্টিতে যুগান্তকারী অবদান রেখেছে। বিভিন্ন বয়সের শত শত ছাত্রছাত্রী ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক কার্জন হলে প্রতি রবিবার স্কুল-কলেজের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমবেত হয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের বক্তৃতা শুনতেন, বিজ্ঞানীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিতেন। খেলাঘর এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঝাঁকঝাঁক বিজ্ঞানমনস্ক তরুণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য সে অবস্থা ছিল অনেকটা স্বপ্নের মতো। এ ছাড়া খেলাঘর প্রায় সাড়ে ৬  দশক ধরে নিয়মিত সারা দেশে শিশু-কিশোর উপযোগী সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করে আসছে, অনেক স্থানে সংস্কৃতি শিক্ষার স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেছে। এসব প্রশিক্ষণ ও প্রতিষ্ঠানে সংগীত, যন্ত্রসংগীত, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন থেকে শুরু করে সংস্কৃতির সব শাখায় শিশু-কিশোরদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। খেলাধুলা নিয়েও বিভিন্ন সময় আয়োজন করা হয় প্রশিক্ষণ শিবির। শিশু-কিশোরদের নিয়ে বিদেশ ভ্রমণও করা হচ্ছে বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রণে। এতে আমাদের শিশুরা বিভিন্ন দেশের শিশুদের সঙ্গে মেলামেশা এবং সেসব দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছে।

খেলাঘরের আরেকটি বড় মাপের সাফল্য হলো শিশু-কিশোরদের মধ্যে সাহিত্যচর্চা বিকাশে সহায়তা করা। পাঁচ দশক ধরে খেলাঘর শিশু-কিশোর সাহিত্য সভা আয়োজন করে এ ক্ষেত্রে প্রায় কিংবদন্তির মতো অবদান রেখেছেন। প্রতি ১৫ দিন পর খেলাঘর আয়োজন হয় সাহিত্য সভা। খেলাঘরের ভাষায় সাহিত্য সভাকে বলা হয় ‘সাহিত্যবাসর’। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের বাংলাদেশের এমন কোনো কবি-সাহিত্যিক নেই যিনি কোনো না কোনো সময় একবার খেলাঘরের সাহিত্যবাসরে আসেননি। খেলাঘরের সাহিত্যবাসরে নিয়মিত আসতেন এমন সব কবি-সাহিত্যিকই পরবর্তী জীবনের খ্যাতিমান লেখক-কবি হিসেবে খ্যাতিমান হয়েছেন। সাহিত্য সভার পাশাপাশি খেলাঘরই প্রথম শুরু করে পাঠাগার আন্দোলন। খেলাঘরের স্লোগান  ছিল ‘পাড়ায় পাড়ায় পাঠাগার গড়ে তোল’। এই সেøাগান সামনে রেখে বাংলাদেশের যেখানেই খেলাঘরের একটি শাখা গঠিত হয়েছে, সেখানেই একটি পাঠাগার গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে খেলাঘরের পাঠাগার আন্দোলন একটি বিশিষ্ট ভূমিকা রেখেছে।

এভাবে খেলাঘর বাংলাদেশের স্বাধীনতা-উত্তর প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ, বিজ্ঞানমনস্ক, অসাম্প্রদায়িক এবং দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এর ফল দেশের মানুষ পেয়েছে। এখন এমন কোনো পেশা নেই যেখানে ‘একসময় খেলাঘর করেছেন’ এমন কোনো ব্যক্তি নেই। এটা খেলাঘরের সাফল্যের একটি দিক। আর দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে এমন কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি নেই যিনি কোনো না কোনোভাবে খেলাঘরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হননি। খেলাঘর যখনই ডেকেছে, তখনই দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের মেধাবী মানুষ ছুটে এসেছেন খেলাঘরের শিশুদের প্রশিক্ষণ দিতে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত