অত্যাধুনিক কোচ (বগি) যুক্ত হওয়ার পর সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে পাহাড়িকা/উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন নতুন রূপে যাত্রা শুরু করেছে।
রবিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বাঁশি বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ট্রেনের নতুন যাত্রা উদ্বোধন করেন।
এরপর লাল-সবুজ রঙের নতুন বগিযুক্ত পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সিলেট স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রাম পৌঁছে রাতে একই ট্রেন উদয়ন এক্সপ্রেস নামে সিলেট আসার কথা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের রেল যোগাযোগের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে। অথচ অতীতে এ খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে আমরা হাঁটছি। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকলে অচিরেই সেটি বাস্তব রূপ পাবে।’
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমদ, কর কমিশনার রণজিত সাহা, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু তাহের মোহাম্মদ শোয়েব, সিলেট উইমেন্স চেম্বারের সভাপতি স্বর্ণলতা রায় প্রসুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পাহাড়িকা/উদয়নে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে ইন্দোনেশিয়া থেকে আধুনিক কোচ এনে সংযোজন করা হয়েছে। পাহাড়িকায় এসি ৬৬টি, এসি চেয়ার ১১০টি, শোভন চেয়ার ৪৫০টিসহ সর্বমোট ৬২৬টি আসন রয়েছে। আর চট্টগ্রাম থেকে উদয়ন নামে সিলেটে আসার সময় একই ট্রেনে ৩৬টি এসি বার্থ, এসি চেয়ার ১১০টি ও শোভন চেয়ার থাকবে ৪৫০টি।
