এইচআইভির ওষুধ ব্যবহার করে নতুন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বের করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন। রবিবার মার্কিন বায়োফার্মাসিটিকাল জায়ান্ট অ্যাবভি ইনকরপোরেশন এ বিষয়টি জানিয়েছে। খবর, রয়টার্স।
চীনের ‘রহস্যময়’ করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় তিন হাজার ব্যক্তি। আক্রান্তদের পরীক্ষা করে ভাইরাসটির কিছু উপসর্গ শনাক্ত করা গেলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রতিষেধক বের করতে পারেনি বিজ্ঞানীরা।
সার্সধর্মী এই ভাইরাস সম্পর্কে জানতে নানা অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকেরা। তবে এখনো বিশেষ কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কীভাবে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে সেটি নিয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়নি ছোঁয়াচে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের।
এমন পরিস্থিতিতে আরেক মরণব্যাধি এইচআইভি ভাইরাসের ওষুধ নিয়ে করোনাভাইরাসটির মোকাবিলার জন্য অ্যাবভিকে অনুরোধ জানিয়েছে চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। ইলিনয়ভিত্তিক কোম্পানির মুখপাত্র অ্যাডেল ইনফ্যান্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এইচআইভি-১ এর ওষুধ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) স্বীকৃত ট্যাবলেট ওষুধ আলুভিয়া, যেটি কালেট্রা নামেও পরিচিত। সংক্রমণরোধী লোপিনাভির এবং রিটোনাভির দুইটি উপাদানের সংমিশ্রণে এটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসটির এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিষেধক বের না হলেও গত বৃহস্পতিবার একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে চীনা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। সেখানে দেখা যায়, ভাইরাসে আক্রান্তদের দিনে দু’টি লোপিনাভির বা রিটোনাভির পিল গ্রহণ এবং দিনে দুবার নেবুলাইজড আলফা-ইন্টারফেরনের ডোজ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
