২৩ ফেব্রুয়ারির পর গ্রামীণফোনে প্রশাসক বসানোর প্রক্রিয়া

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৫৪ পিএম

পাওনা টাকা না দিলে এবং আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন না আসলে ২৩ ফেব্রুয়ারির পর গ্রামীণফোনে প্রশাসক বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

সোমবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জহুরুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আপিল বিভাগের বেঁধে দেয়া তিন মাস সময় শেষ হবে ২৩ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন না আসলে বিটিআরসি যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

এ সময়ের মধ্যে যদি গ্রামীণফোন বকেয়া টাকা না দেয় তাহলে প্রশাসক বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, সোমবার গ্রামীণফোন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিষ্ঠানটির সিইও ইয়াসির আজম আশা প্রকাশ করেন যে শিগগিরই গ্রামীণফোনের নিরীক্ষা আপত্তি নিয়ে জটিলতার সমাধান হবে।

তিনি বলেন, সরকারের বকেয়া পাওনা নিয়ে গ্রামীণফোনের সঙ্গে যে সংকট চলছে তাতে তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নতি হবে।

এদিকে ইয়াসির আজমান জানান, গ্রামীণফোনের যেসব সিম বাজারে রয়েছে তা এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। ফলে বাজারে গ্রামীণফোনের সিম (০১৭ ও ০১৩ নম্বর সিরিজ) পাওয়া যাবে না। ‘আমাদের হাতে কোনও সিম নেই। খুচরা বিক্রেতাদের হাতে কিছু সিম রয়েছে। সেগুলো শেষ হয়ে গেলে বাজারে আর সিম পাওয়া যাবে না।’

সিম রিসাইকেলের (পুরোনো বন্ধ সিম নির্দিষ্ট সময় পর বিক্রির জন্য রেডি করা) জন্য বিটিআরসির অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। সিম রিসাইকেলের জন্য এরই মধ্যে ৩০ লাখ সিম জমা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকের ৫৩ দশমিক ১ শতাংশ ইতিমধ্যে ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত