করোনাভাইরাসের কথা ফাঁস করা সেই চিকিৎসকের মৃত্যু

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৩২ পিএম

সাধারণ মানুষকে প্রথম করোনাভাইরাসের কথা জানানো ডঃ লি ওয়েনল্যাংও এই রোগে ভুগে মারা গেলেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করেন।

ভাইরাসটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লি কথা বলার পর চীনের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তার কাছে জবাব চায়। এরপর উহান পুলিশও তাকে আটক করে মুচলেকা নেয়। অনলাইনে তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে।

লি শেষ পর্যন্ত তার রোগীর থেকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে ভর্তি হন ১২ জানুয়ারি।

কোনো ভ্যাকসিন কিংবা প্রতিষেধক না থাকা এই ভাইরাসে চীনে এখন পর্যন্ত ৫৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার।

চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।

এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত