বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা জনপ্রিয়তার চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। যা শুধুমাত্র ক্রিকেটে বন্দী থাকেনি। মাশরাফী হয়ে উঠেছিলেন সবার নায়ক। সেই মাশরাফীর অধিনায়কত্ব অধ্যায় শেষ হচ্ছে শুক্রবার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এদিন শেষবারের মতো টস করতে নামবেন তিনি।
তবে অধিনায়কত্ব ছাড়ার দিনে মাশরাফী বলেছেন, জনপ্রিয়তা বা খ্যাতি- এসব কোনো কিছুই স্পর্শ করেনি তাকে। উদাহরণ দিতে গিয়ে টেনেছেন সংসদ সদস্য হওয়ার পরবর্তী সময় প্রসঙ্গও।
বৃহস্পতিবার সিলেটে তৃতীয় ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফী অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন।
এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফী বলেন, ‘অধিনায়কত্ব যখন শুরু করেছি বা পরে, কখনো এসব অনুভব করিনি। এখন আমার আরেকটা পরিচয় এমপি। এটিও কখনো সেভাবে অনুভব করিনি। লাল পাসপোর্ট নিইনি, বাড়ি নিইনি, গাড়ি নিইনি। আমি আসলে এসব থেকে সব সময়ই দূরে থাকতেই পছন্দ করেছি। দূরে থাকাটা ভালো মনে করি।’
যে কোনো দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজেকে উড়ার করে দেওয়াটাকেই সব সময় কর্তব্য বলে মেনেছেন বলে জানান মাশরাফী। বিদায় বেলায় বললেন কখনো চেয়ারের অপব্যবহার করতে চাননি, ‘আমি যখন এই চেয়ারটা (দায়িত্ব বোঝাতে) পেয়েছি, সম্ভাব্য সবকিছুই ছিল এই চেয়ারটা পাওয়ার মতো। ভালো যা কিছু করতে থাকব, এই চেয়ারটা আমার কাছে আসতে থাকবে। যখনই আমি এই চেয়ারটা পেলাম, তখনই ওখানে শেষ লেখা হয়েছে। এই চেয়ার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর নেই। তো এই চেয়ারটার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা উচিত। এটার প্রভাবটা আমি অন্যভাবে খাটাতে চাই না।’
মাশরাফী যোগ করেন, ‘আমি জিনিসটা এভাবে দেখি যা আমি অর্জন করব বা অর্জন করতে যাচ্ছি। তা পাওয়ার পর ওটার মূল্য আর নাই। তখন সেটার মূল্যায়ন হবে আমি কীভাবে এটার প্রয়োগ করেছি।’
