হিলি সীমান্তে নেই করোনা সচেতনতা কার্যক্রম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২০, ১২:০৩ এএম

সীমান্তবর্তী এলাকা দিনাজপুরের হিলি নভেল করোনা ভাইরাসের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। কিন্তু ভাইরাস প্রতিরোধে সীমান্তে নেওয়া হয়নি কোনো সচেতনতামূলক কার্যক্রম। দেওয়া হয়নি তাদের কোনো ধরনের পরামর্শ। তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে চলাচলরত যাত্রীদের ও বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকের চালক ও সহকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (শুধু শরীরের তাপমাত্রা) করা হচ্ছে।

হিলি সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত কাওসার শেখ, মুন্না ও হায়দার হোসেন বলেন, ভারতে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় হিলি সীমান্ত চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এখানে রয়েছে স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এর পাশাপাশি ভারত থেকে পণ্য নিয়ে হিলি স্থলবন্দরে প্রতিদিন দুইশ থেকে আড়াইশ পণ্যবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশ করে, এর সঙ্গে চালক ও সহকারী মিলিয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ মানুষ দেশে প্রবেশ করে। এ ছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে অনেক চোরাকারবারি অবাধে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করে থাকে।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদ আল হাসান বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশনে দুটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এই টিম নিয়মিত যারা ভারত থেকে দেশে আসছে তাদেরকে স্ক্রিনিং করছে।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাফিউল আলম বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যারা বিদেশ থেকে আসছেন তাদেরকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত