গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা কিছু সংখ্যক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করেছে ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) একটি প্রতিনিধিদল। নমুনা সংগ্রহ শেষে বুধবার বিকেলে তিন সদস্যের এই প্রতিনিধিদলটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
গাইবান্ধা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে আমেরিকা প্রবাসী ২ জন ও হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২৪১ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬৫ জন, সদরে ৪৮, সুন্দরগঞ্জে ৪৩, সাদুল্যাপুরে ২৭, সাঘাটায় ১৮, পলাশবাড়ীতে ১৭, ফুলছড়িতে ১৪ ও বগুড়া থেকে সাদুল্যাপুরে আসা ৯ জন।
আইইডিসিআরের মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেল রহমানের নেতৃত্বে সোমবার গাইবান্ধা পৌঁছায় প্রতিনিধিদলটি। পরে তারা গতকাল পর্যন্ত নমুনা হিসেবে গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্যাপুর উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রক্ত ও গলার রস সংগ্রহ করেন।
এদিকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন হিসেবে গাইবান্ধা যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
এসব বিষয়ে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. এ বি এম আবু হানিফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, সংগ্রহ করা নমুনার রিপোর্ট আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে। তারপরই বোঝা যাবে আর কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি না। করোনায় আক্রান্ত দুজন তাদের বাসাতেই আছেন। তারা আমাদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে আছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন হলে আমরা তা করব।
