অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল বেছে নিলেন উঁচু মানের স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে সর্বকালের সেরা দুটি ইনিংস। নিজের পছন্দের সেই দুই ইনিংস বাছতে গিয়ে ভিভিএস লক্ষ্মনের মহাকাব্যিক ২৮১ রানের ইনিংসটিকে বেছে নিলেন ইয়ান চ্যাপেল। অন্য ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার ডগ ওয়াল্টার্সের।
‘দুর্দান্ত ফুটওয়ার্কে টপ ক্লাস স্পিন বোলিং সামলানোর দিক থেকে দুজনের ইনিংস মনে পড়ে যাচ্ছে। একটা ইনিংস খেলেছিল ভিভিএস লক্ষ্মন, অন্যটা অস্ট্রেলিয়ার ডগ ওয়াল্টার্স।’ করোনাভাইরাসের এই সময়ে ক্রিকইনফোতে নিজের কলামে এভাবেই লিখেছেন চ্যাপেল।
২০০১ সালে ইডেন গার্ডেন্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছিল ভারত। ফলোঅনে পড়ার পরও জিতে নিয়েছিল ম্যাচ। ভিভিএস লক্ষ্মন ও রাহুল দ্রাবিড় দ্বিতীয় ইনিংসে গড়েছিলেন ৩৭৬ রানের জুটি।
এই কদিন আগেই যে ম্যাচটির ১৯ বছর পূরণ হলো। লক্ষ্মণ খেলেছিলেন ২৮১ রানের ইনিংস। রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যাট থেকে আসে ১৮০ রান।
চ্যাপেল বলছেন, ‘দুর্দান্ত স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে লক্ষ্মণের অবিশ্বাস্য ২৮১ রান আমার কাছে অন্যতম সেরা ইনিংস। সেই উত্তেজনাপূর্ণ সিরিজের পর আমি শেন ওয়ার্নকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কেমন বল করেছ বলে মনে কর? উত্তরে ওয়ার্ন বলেছিল, খারাপ বল করেছি বলে তো মনে করছি না।’
চ্যাপেল তখন ওয়ার্নকে বলেছিলে, ‘তুমি খারাপ বল করোনি।’
স্বদেশি ডগ ওয়াল্টার্সকে চ্যাপেল অফ স্পিনের বিপক্ষে সেরা ব্যাটার হিসেবে আখ্যা দেন, ‘ওয়াল্টার্স তিনবার এক সেশনে টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। এই কীর্তি সম্পর্কে কোনো সম্পূর্ণ রেকর্ড নেই। কিন্তু আমার মনে হয় স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান এটি প্রায়ই করতেন।’
‘অফ স্পিনের বিপক্ষে ওয়াল্টার্স আমার দেখা সবার সেরা। সে শুধু সেরাদের বিরুদ্ধে লড়েছে তা নয়, তাদের বশ করতেও সক্ষম হতো। ১৯৬৯ সালে মাদ্রাজে এরাপল্লি প্রসন্নের অফ স্পিন সামলে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন। ১৪টি চারের সঙ্গে হাঁকিয়েছিলেন ২টি ছক্কা।’
