পটুয়াখালীতে হাট-বাজারে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব নির্দেশনা

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২০, ০১:৫৪ পিএম

করোনাভাইরাসের মহামারীর সংক্রমণ ঠেকাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। মানুষজনকে বাড়িঘর থেকে বের হতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। করা হয়েছে পুরো জেলা লকডাউন।

কিন্তু পটুয়াখালীর অনেক হাট-বাজারে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। বসছে সাপ্তাহিক হাটবাজার। এছাড়া বিকেল হলেই গ্রামীণ হাটবাজারে বাড়ছে মানুষের ভিড়। বজায় থাকছে না সামাজিক দূরত্ব। ফলে সরকারের করোনার বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায়ের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সরজমিনে, রবিবারে ধানখালীর নোমরহাটে বসেছে জমজমাট সাপ্তাহিক হাট। সোমবার বিকেলে ধানখালীর কালুরহাটে দেখা গেছে, জমজমাট সাপ্তাহিক হাট। মঙ্গলবার কলাপাড়ায় বসেছে জমজমাট সাপ্তাহিত হাট। মহিপুর বন্দরে প্রতি সন্ধ্যায় চলে জনসমাগম। ইটভাটার মালিকরা তাদের ভাটার কার্যক্রম চালু রেখেছেন।

প্রায় শতাধিক শ্রমিক ভাটায় জড়ো হয়ে ট্রলার কিংবা ট্রলিতে ইট লোড-অানলোড করা হচ্ছে। একইভাবে বালু বিক্রির গদিগুলোতেও শতাধিক শ্রমিক দ্বারা বালুর জাহাজে লোড-আনলোড করা হচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক শ্রেণির নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রিত হাট-বাজারগুলো চালু থাকায় করোনায় সামাজিক দরত্ব বজায় রাখার সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

অপরদিকে জেলায় লকডাউন চলমান থাকায় থেমে গেছে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনের চাকা। নিত্যদিনের মতো শ্রম বিক্রি করতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে খেটে খাওয়া মানুষেরা রান্নার চুলা জ্বালাতে যখন হিমশিম খাচ্ছে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল জানান, সোমবার শেষ বিকেলে লালুয়ার বানাতিবাজারে গিয়ে জনসমাগম বন্ধ করে দিয়েছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের নির্দেশনায় মাইকিং করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত