পটুয়াখালীর দুমকিতে করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) আক্রান্তে মৃত দুলাল চৌকিদারের নমুনা সংগ্রহাকারী চিকিৎসক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মীর শহিদুল হাসান শাহীন ও স্বাস্থ্য সহকারী মো. জাহিদুল ইসলামকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মৃত দুলালের স্ত্রী, সন্তানসহ ৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ দুমকি গ্রামের সোবাহান চৌকিদারের ছেলে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা পোশাক শ্রমিক দুলাল চৌকিদার (৩২) কভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নমুনা সংগ্রহকারী টিম মৃত দুলালের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী, সন্তানসহ সংস্পর্শে আসা মোট ৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকা আইইডিসিআরে পাঠায়।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী দুলালের নমুনা সংগ্রহকালে সংস্পর্শের কারণে টিএইচএ ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন ও স্বাস্থ্য সহকারী মো. জাহিদুল ইসলামকে তাদের নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।
হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ডা. জাহিদুল ইসলাম মোবাইল ফোনে দেশ রূপান্তরকে বলেন, রোগীর (দুলাল) সিম্টপম দেখে প্রথমেই তার সন্দেহ হয়েছিল। তাই তাকে স্বাভাবিক জ্বর-কাশির চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে থাকতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি টিএইচএকে অবহিত করার পর ওই দুমকিস্থ গ্রামের বাড়ি থেকে রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠালে পরীক্ষার ফলাফলে পজিটিভ ধরা পড়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন কোয়ারেন্টাইনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সিভিল সার্জনের নির্দেশনাক্রমে নিজ বাসায় অবস্থান করছি।
এদিকে, কভিড-১৯ আক্রান্তে একজনের মৃত্যু হওয়ায় শুক্রবার থেকে দুমকি উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। তবে জরুরি ঔষধপত্র ও পণ্যবাহী যানচলাচল এর আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
