কুয়াকাটা পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে চাল চুরির অপপ্রচারে কাউন্সিলররা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
শনিবার দুপুরে পৌরসভার ১০ কাউন্সিলর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পৌর আ.লীগে অনুপ্রবেশকারী ও রাজনৈতিক একটি চক্র পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে মেয়রের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যম কর্মীদের ভুল তথ্য দিয়ে জেলেদের চাল চুরির মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে আসছে। এতে পৌর মেয়রসহ কুয়াকাটা পৌরসভার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনবার বিপুল ভোটে তিনি লতাচাপলী ইউয়নের ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১০ সালে কুয়াকাটা পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি কুয়াকাটা পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র। দীর্ঘ সময় লতাচাপলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দল পরিচালনা করে আসছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কুয়াকাটা পৌর এলাকার জেলেদের জনপ্রতি ৮০ কেজি করে ৫৩০ কার্ডধারীর মধ্যে স্বচ্ছভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত তদারকি কর্মকর্তা উপজেলা দারিদ্র্যবিমোচন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে গত ৬ এপ্রিল ৫০৮ জন জেলের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়। সাগরে মাছ শিকারে থাকার কারণে ২২ জেলে ওইদিন উপস্থিত না থাকায় তাদের মধ্যে চাল বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। পরের দিন ৭ এপ্রিল মৎস্য কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরদের সামনে ২২ জেলের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়। বিতরণে মেয়রের কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য চাল চুরির মিথ্যা ও বানোয়াট কল্পকাহিনী সাজিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এমন ঘৃণ্য অপরাজনীতি বন্ধসহ ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানান কাউন্সিলর ও স্থানীয় সুশীল সমাজ।
