সর্দি-জ্বরে হাসপাতালের মেঝেতে অজ্ঞান তরুণ, আসলেন না স্বজনরা

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২০, ১১:০৯ এএম

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হয়ে এক তরুণ হাসপাতালে এসেই অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে যান। এ সময় পুরো হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তরুণের বাবা-ভাই, আত্মীয়-স্বজনদের খবর পাঠালেও আসেননি কেউ।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ জসিম উদ্দিনকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও পুলিশের উদ্যোগে হাসপাতালের একজন স্বাস্থ্য কর্মীকে দিয়ে সিলেটের শামছুদ্দিন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ছাতকের উত্তর খুরমা ইউনিয়নের আমেরতল গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে জসিম উদ্দিন নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক ছিলে।

সম্প্রতি জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে বোনের বাড়িতে ফেরেন এই শ্রমিক। সেখান থেকেই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একাই আসেন জসিম উদ্দিন। এখানে আসার পর অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে যান এই তরুণ। দীর্ঘ সময় মেঝেতেই পড়ে থাকেন এই রোগী।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রাজিব চক্রবর্তী জানান, রাত সাড়ে ৮টায় জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা ওই রোগী অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে যান। চোখে-মুখে পানি দিলে তার জ্ঞান ফিরে। পরে কিছু খাইয়ে প্যারাসিটামল খাওয়ানো হয় রোগীকে। এরপর উত্তর খুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের মাধ্যমে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

কেউই আসতে রাজি না হওয়ায় হাসপাতালের একজন স্টাফ দিয়ে রোগীকে সিলেটের শামছুদ্দিন হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে এই রোগীর করোনা পজিটিভ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত