আনোয়ারায় খোলা মাঠেও মানছে না সামাজিক দূরত্ব

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৫৫ পিএম

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কয়েকটি হাটবাজার খোলা মাঠে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে করোনা সতর্কতায় তৎপর রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু খোলা মাঠেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, উপজেলার বেশির ভাগ হাট-বাজারে ঘিঞ্জি পরিবেশ। সেখান থেকে খোলা মাঠে করোনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে। তবে মানুষের সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবার আগে নিজেকে সচেতন হতে হবে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে পরিচিত উপজেলার সরকারহাটের মাছবাজার ও কাঁচাবাজার স্থানান্তর করা হয়েছে তৈলারদ্বীপ-বারখাইন এর্শাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টো প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কারণে-অকারণে লোকজন অস্থায়ী কাঁচাবাজারে দলে দলে ভিড় করছে।

ন্যূনতম শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে অযথা আড্ডা দিচ্ছে। প্রশাসনের এ উদ্যোগ আমলে নিচ্ছে না তারা।

সোমবার তৈলারদ্বীপ-বারখাইন এর্শাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচেপড়া ভিড়। অনেকেই মানছে না সামাজিক দূরত্ব। যে যার মতো বাজারে ঘোরাফেরা করছে, আড্ডা দিচ্ছে।

বাজারে আসা এক ক্রেতা বলেন,গত শুক্রবার থেকে এখানে বাজার স্থানান্তর করা হয়। শুধু পুলিশ দেখলে লোকজন কিছুটা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল হক আজিজ বলেন, এ হাটে হাসিল না থাকায় বিক্রেতারা মালামাল নিয়ে একদিন আগে চলে আসে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ভোর থেকেই কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি পুলিশও মাইকিং করে লোকজনকে সতর্ক করছে। এরপরও মানুষের ভিড় কমানো যাচ্ছে না।

একইভাবে উপজেলার বটতলী রুস্তমহাট, গহিরা দোভাষীহাট,রায়পুর ওয়াহেদ আলী চৌধুরী বাজার, চাতরী চৌমুহনী বাজার ও মালঘর বাজারেও মানা যাচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব।

এসব হাট-বাজার সড়কের খোলা জায়গায় বসানো হলেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত হয়নি। এসব বাজারে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। শত শত মানুষ গাদাগাদি করে বাজার করছে।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন, জনসাধারণকে সচেতন করতে মাঠে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ। তারপরও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। প্রয়োজনে আমরা আরো কঠোর হব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত