খুলনা মেডিকেলে করোনার উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২০, ১১:১৪ এএম

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান (৫২) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি খুলনার ফুলতলা উপজেলায়।

খুমেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (মেডিসিন) ও করোনা সাসপেক্টটেড আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাত একটার দিকে মিজানুর রহমানকে ভর্তি করা হয়। তিনি কিডনির রোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দুইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি-না তা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

খুলনায় করোনায় প্রথম মৃত্যু: খুলনায় সর্দি, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যাওয়া নুরুজ্জামান খানের (৪৩) নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার খুলনা মেডিকেল কলেজে পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) মেশিনে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

পাঁচ দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগে মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এটিই খুলনার প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। মৃত নূর আলম খান রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের গোলাম খানের ছেলে।

খুমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুল আহাদ বলেন, গতকাল মঙ্গলবার খুলনা কলেজের পিসিআর মেশিনে ১৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে মৃত নুরুজ্জামানের নমুনায় পজিটিভ ধরা পড়ে। এটিই খুলনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

খুমেক হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুর রহমান বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে নূর আলম খান নামে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসে তার স্বজনরা। তবে, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। যেহেতু তার মধ্যে করোনার উপসর্গ ছিল সে কারণে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

মৃতের স্বজনরা জানান, নুরুজ্জামান গত পাঁচ দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তিনি একটি মোবাইল কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত