করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার রোধে সারা দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদেরই বাড়িতে বসে কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু বাড়ি থেকে কাজ করার ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিকই রয়েছে। বাড়িতে থেকে কাজ করার ক্ষেত্রে আপনি সময়মতো খেতে, ঘুমোতে পারেন এবং সময়মতো অফিসে যাওয়া ও আসার ঝামেলাও থাকে না। কিন্তু বাড়ি থেকে নিয়মিত কাজ করতে আপনি মানসিক চাপ অনুভব করতে পারেন। এর কারণ হতে পারে কাজের জন্য সঠিক কাঠামোর অভাব, কাজের পরিবেশ না পাওয়া, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, মনোযোগের অভাব এবং ঘুম কম হওয়া ইত্যাদি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কী করে চাপমুক্ত থেকে কাজ করবেন, বিস্তারিত জেনে নিন।
নিজের জন্য রুটিন তৈরি করে অনুসরণ করুন। সময়মতো কাজ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকালে উঠে কাজের প্রায়োরিটি তৈরি করে সে অনুযায়ী কাজ করুন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবেন।
বাড়িতে বসে কাজ করতে করতে আপনি নিঃসঙ্গ এবং বিচ্ছিন্ন বোধ করতে পারেন। মুক্তি পেতে, আপনি যখনই একাকী এবং বিরক্ত বোধ করবেন, তখনই সহকর্মী ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের সঙ্গে ফোন বা মেসেজ ও ভিডিও চ্যাট করতে পারেন। সমসাময়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কিছু নির্দিষ্ট জিনিস বিষয় শেয়ার করতে পারলে দেখবেন আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে গেছে।
সব সময় পজিটিভ থাকুন। অ্যাক্টিভ থাকতে, নিজেকে মোটিভেট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন কাজগুলো শেষ করে নিজেকে পুরস্কৃত করুন। এগুলো আপনাকে কাজ করার ক্ষেত্রে মনোযোগী করে তুলবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।
বাড়িতে থাকার অর্থ এই নয়, বাড়ির সব কাজ আপনিই করবেন। সব কাজ নিজে করতে গেলে আপনার চাপ বাড়বে। আপনি আপনার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিন। যদি একাই করতে হয় তবে কাজগুলোর জন্য একটি সময়সূচি তৈরি করুন যাতে সমস্যা না হয়।
নিজের জন্য সময় বের করুন। নিজেকে চাপ থেকে মুক্ত করতে আপনি এখন বাইরে বেরোতে পারবেন না। তাই আপনার কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়ার সময় আপনি কোনো বই পড়তে পারেন, গান শুনতে কিংবা মুভি দেখতে পারেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর খাবার রান্না করতে পারেন। ১০ মিনিট
হাঁটলে বা গান শুনলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে।
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা মেডিটেশন করলে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবেন।
