রাজধানীর শঙ্কর এলাকার ‘নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলে’ আটকে পড়া সেই শিক্ষার্থী পুলিশের সহায়তায় বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ পেয়েছেন। ওই শিক্ষার্থী বাড়িওয়ালার কথা মেনে হোস্টেল ছেড়ে না যাওয়ায় গত শনিবার সকালে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে হাজারীবাগ থানা পুলিশ ওইদিনই বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগের ব্যবস্থা করে। তবে সে সময় বাড়িওয়ালাকে পায়নি পুলিশ।
তিতুমীর কলেজের ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘পুলিশ এসে তালা ভেঙে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ দিয়ে গেছে। এ সময় বাড়িওয়ালা আসেনি।’
এর আগে শনিবার দুপুরে ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শঙ্কর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলে তিনি আটকা পড়েছেন। তবে হোস্টেল কর্র্তৃপক্ষের কাছে বাড়িভাড়া বকেয়া থাকায় বাড়িওয়ালা হোস্টেলের ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তাকে হোস্টেল ছেড়ে ট্রাকে করে বাড়িতে চলে যেতে বলেছেন বাড়িওয়ালা। তিনি আরও বলেন, ‘পাঁচতলা ভবনের প্রথম দুটি ফ্লোরে হোস্টেল। তৃতীয় তলায় বাড়ির মালিক এবং চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় বাড়ির মালিক পরিচালিত ছাত্রীদের মেস রয়েছে। নিবেদিকা ছাত্রী হোস্টেলে ৪০-৫০ জন সদস্য ছিলেন। সবাই লকডাউনের কারণে চলে গেছেন।’ এ বিষয়ে নিবেদিকা হোস্টেলের ম্যানেজার নাজনীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘শঙ্করে আমাদের নিবেদিকা হোস্টেলের কোনো ব্রাঞ্চ নেই। আটকে পড়া ওই ছাত্রীকে আমি চিনি না।’
হাজারীবাগ থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া জানান, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে শনিবার পুলিশের একটি টিম সেখানে যায় এবং ওই শিক্ষার্থীর হোস্টেলের ইউটিলিটি সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হয়। বাড়ির মালিককে পাওয়া যায়নি। ওই ছাত্রীকে যাতে কেউ হয়রানি না করে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর দিয়ে আসা হয়েছে। কোনো সমস্যা হলে জানাতে বলা হয়েছে।
