ইতালিতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা কমে আসায় নিজেদের মতো করে অনুশীলন শুরু করেছে সেরি আ’র পয়েন্টের শীর্ষে থাকা জুভেন্তাসের খেলোয়াড়রা। প্র্যাকটিসে নেই দলটির তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল থেকে উড়ে আসা আক্রমণভাগের এই খেলোয়াড় নিয়মানুযায়ী দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে আছেন।
দিনের শুরুতে প্রথমে জুভেন্তাসের স্পোর্টস সেন্টারে মঙ্গলবার অনুশীলন করতে আসেন কালো মাস্ক পরিহিত ইতালিয়ান সেন্টার-ব্যাক জর্জিও কিয়েল্লিনি। এর কিছুক্ষণ পরই আসেন ওয়েলস মিডফিল্ডার অ্যারন রামজি। বিকেলের দিকে অনুশীলনে আসেন প্লেমেকার পিয়ানিচ, সঙ্গে ছিল হুয়ান কুয়াদ্রাদো, মাতিয়া দে স্কিগলিও, ফেদেরিকো বের্নাদেস্কি ও করোনা থেকে সেরে ওঠা দানিয়েলে রুগানি।
জুভেন্তাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার ইতালি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। আপাতত খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করবে। গত রবিবার যাদের করোনা টেস্ট হয়েছে তারাই অনুশীলনে এসেছে।
এদিকে, সোমবার রাতে পর্তুগালের মাদেইরা থেকে ব্যক্তিগত জেটে চড়ে সপরিবারে জুভেন্তাসে পৌঁছেছেন রোনালদো। নিয়মানুযায়ী দুই সপ্তাহের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারকে। এরপর কোরানা টেস্টে দিয়ে নামতে হবে অনুশীলনে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর অনুশীলনে নেমেছে আতালান্তা, বলোনিয়া, উদিনেসে, সাস্সুয়োলো ও লিগের খেলোয়াড়রাও। সবাই ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করছেন।
ইতালির ক্রীড়া মন্ত্রী ভিনসেনসো স্পাদাফোরা ক্লাবগুলোকে সতর্ক করে জানিয়ে দিয়েছেন, দলবদ্ধভাবে অনুশীলন করতে হলে তাদেরকে অবশ্যই ১৮ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
করোনার ভয়াল থাবায় পড়া ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ইতালি। আক্রান্ত, মৃত্যু উভয় তালিকাতেই তৃতীয়স্থানে তারা। কভিড-১৯ এ দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত ২ লাখ ১৩ হাজার।
এর মধ্যে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমে আসায় লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী। তাতে দেশটিতে খেলাধুলা ফের মাঠে গড়ানো নিয়ে জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে মাঠে গড়াতে পারে ইতালির শীর্ষ ফুটবল লিগ সেরি আ’র ম্যাচ।
