বাঁশখালীতে জোড়া খুনের আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ১৬ মে ২০২০, ০৩:০১ পিএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়ায় জোড়া খুনের মামলার এক আসামি পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার গভীর রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

নিহত নুরুল আনছার প্রকাশ কালু (৪০)। বাহারছড়া ইলশার মদিনা ব্রিক ফিল্টের মালিক নুরুল আবছারের ভাই এবং  দলিলুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।

জানা যায়, বাঁশখালীর বাহারছড়া ইলশা গ্রামে সমাজের আধিপত্য ইটভাটার বিরোধ নিয়ে পূর্ব ইলশা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ মিয়া চৌধুরীর ছেলে ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন ঝুন্টুর সাথে একই এলাকার দলিলুর রহমানের ছেলে নুরুল আবছারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

তারই জের ধরে ১২ মে রাতে তারাবি নামাজ পড়ে বের হলে অতর্কিত গুলি বর্ষণে মাওলানা নেছার আহমদের ছেলে পটিয়া বড় মাদ্রাসার ছাত্র খালেদ বিন ওয়ালিদ (২৫) মঙ্গলবার গভীর রাতে মৃত্যুবরণ করেন ।

একই ঘটনায় পটিয়া বড় মাদ্রাসার অপর ছাত্র আবু সালেকের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে (২১) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে সেখানে বুধবার বিকেলে ইব্রাহিমের মৃত্যু হয়।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় জয়নাল আবেদীন ঝুন্টু বাদী হয়ে ডাবল হত্যা মামলা দায়ের করেন নুরুল আবছারকে প্রধান আসামি করেন।

ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়জনকে আটক করে।

এদিকে শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনায় জড়িতরা আবারও বাহারছড়ার ইলশার মদিনা ব্রীক ফিল্ডে জড়ো হচ্ছে অপরাধ করার জন্য এ খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। পুলিশও হামলা চালালে ৮ পুলিশ সদস্যসহ নুরুল আনছার প্রকাশ কালু গুরুতর আহত হয়। তাকে বাঁশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নুরুল আনছার কালুর বিরুদ্ধে ৮টি মামলা পাওয়া গেছে। আরো আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত