কুর্মিটোলা, মুগদায় মাস্ক-স্যানিটাইজার দিল বিসিএস কাস্টমস ও ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশন

আপডেট : ১৬ মে ২০২০, ০৭:৪৬ পিএম

করোনা চিকিৎসায় নির্ধারিত রাজধানীর কুর্মিটোলা ও মুগদা হাসপাতালকে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়েছে বিসিএস কাস্টমস ও ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশন। 

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ তথ্য জানান। 

এতে বলা হয়, শনিবার বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খন্দকার মুহাম্মদ আমিনুর রহমানের ব্যবস্থাপনায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং মুগদা মেডিকেল মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়। কুর্মিটোলা হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জামিল আহমেদ হাসপাতালের পক্ষে এসব গ্রহণ করেন। 

তিনি কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। 

অপর দিকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও পরিচালক ডা. শাহ নুরুন নবী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মাস্ক ও স্যানিটাইজার গ্রহণ করেন। তিনি দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে কাস্টমসের সাহসী ভূমিকার ব্যাপক প্রশংসা করেন। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই হাসপাতালের প্রধান দেশের কভিড-১৯ রোগীর ব্যাপক চাপের বিপরীতে কর্মরত চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর অপ্রতুলতা এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার বিষয়টিকে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তাদের মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ বিষয়ে দুই হাসপাতালের প্রধান বিশেষ অগ্রাধিকার হিসাবে দেখার চেষ্টা করবেন জানিয়ে বলেন, দেশে উল্লেখযোগ্যয় আক্রান্ত হচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের জন্যও কোনো বিশেষ ব্যবস্থা বর্তমানে নেই। তবে কাস্টমস হাউসগুলো লকডাউন হলে এর পরিণতি দেশের জন্য ভয়াবহ হবে বিবেচনায় এ বিভাগের কর্মকর্তাদের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। 

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খন্দকার মুহাম্মদ আমিনুর রহমান এসব হাসপাতাল পরিচালনার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা মেটানোর  বিষয়ে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সবাইকে আন্তরিক হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

এসব সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিসিএস (কাস্টমস ও ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ মুসফিকুর রহমান, মহাপরিচালক, ভ্যাট, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, ডা. হুমায়ুন কবীর, কমিশনার, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা এবং ডেপুটি কমিশনার জনাব রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। 

অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতিতে কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের গুরত্ব অপরিসীম। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী, দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমদানি, শিল্পের কাঁচামালসহ সব আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম যেন বাধাহীনভাবে চলতে পারে সে লক্ষ্যে কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তাগরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। দেশের অর্থনীতির চাকাকে আবারো সক্রিয় করতে কাস্টমস কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের শারিরীক সুস্থতা নিশ্চিত করা জরুরী। তাই হাসপাতালগুলো যেন পর্যাপ্ত লজিস্টিকস সুবিধা পায় সে লক্ষ্যে তাদের এ প্রয়াস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত