করোনাভাইরাসের কারণে শুরু দেশের লকডাউন পরিস্থিতি শেষ হলে মুশফিকুর রহিম সবার আগে কী কাজ করবেন? রবিবার ‘নট আউট নোমান’-এর ইউটিউব চ্যানেলে লাইভে মুশফিকের কাছে এমন একটা প্রশ্ন ছিল। জবাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অধ্যবসায়ী ক্রিকেটারের সোজা জবাব, ‘১০-১৫ ঘণ্টার আগে স্টেডিয়াম ছাড়ার কোনো চান্স নেই।’
মার্চের শেষ দিক থেকে ক্রিকেটাররা অন্য সবার মতো ঘরে বন্দি। এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও একমত যে এই অবস্থায় বছরের প্রায় প্রতিদিন মাঠে প্র্যাকটিস করতে অভ্যস্ত মুশফিকের কষ্ট হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। কীভাবে তিনি ব্যাট না করে বেঁচে আছেন সেটাও আলোচনায় কথা বলার বিষয় হয়ে ওঠে আজকাল।
তো ক্রীড়া সাংবাদিক ও ইউটিউবার নোমান মোহাম্মদ ডেইলি স্টারের মাজহারুল ইসলাম অমির করা প্রশ্নটা রাখেন মুশফিকের সামনে, ‘লকডাউন শেষ হলে আপনি প্রথম কোন কাজটা করবেন? ’
মুশফিকের মুখে হাসি ফোটে। টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক স্ত্রী জান্নাতুল কিফায়াত মন্ডির কথার উদ্ধৃতি দিয়ে জবাবটা শুরু করেন, ‘অলরেডি আমি প্ল্যান করে ফেলেছি। আমার ওয়াইফ-ই আমাকে বলেছে, তোমার তো মনে হয় লকডাউনের পর থেকে ২৪ ঘণ্টায় বাসায় আসার কোনো চান্স নেই।’
১৪টি সেঞ্চুরিসহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১,৮৬৯ রানের মালিক মুশফিক বলেন, ‘আমি অলরেডি বলেছি, প্রথম দিন তো ১০-১৫ ঘণ্টার আগে আমার বাসায় আসার কোনো চান্স নেই। ব্যাটিং তো অবশ্যই করব গিয়ে। ব্যাটটা আগে ধরব। কারণ ফিটনেস অনুযায়ী আমি সবকিছু করছি। এবং আল্লাহর রহমতে খুব ভালো কিছু মেনে চলছি। তা খাদ্যাভ্যাস বলুন বা সবকিছুই।’ মনের ক্ষুধা মিটিয়ে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করার কথা জানিয়ে নেট বোলারদের কথাটাও ভেবে শেষ করলেন এভাবে, ‘তো ব্যাটিংটা সবার আগে করব এবং নেট বোলাররা সবার আগেই জানবে যে কতক্ষণ আমি ব্যাটিং করতে পারি। আমার মনে হয় অন্তত যারা আমাকে চেনে তারা অনুমান করতে পারছে।’
