ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আম্পান’র প্রভাবে সুগন্ধা ও বিশখালী নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।
বুধবার সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
জেলায় ইতিমধ্যেই ২৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে এ সকল আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সকলকে অবস্থান করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও ওষুধ মজুদ রাখা হয়েছে। জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় সকাল থেকে সুগন্ধা নদীতে ট্রলার নিয়ে সতর্কতামূলক মাইকিং করেছে ঝালকাঠি জেলা রোভার স্কাউটস সদস্যরা।
সুগন্ধা ও বিশখালী নদীর পানি বৃদ্ধিতে জেলার কাঠালিয়া উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকা, আরুয়া বাজার, জয়খালী, চিংড়াখালী, বড় কাঠালিয়া এলাকার ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।
নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়াসহ তাদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, আনসার ও চৌকিদারসহ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী কাজ করছে।
এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নদীবেষ্টিত উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই শতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রসাশক মো. জোহর আলী।
