জনপ্রিয় মডেল ও নৃত্যশিল্পী বারিশ হক ঘরবন্দি সময়ে সাহায্য করেছেন অসহায় মানুষদের। ‘এক মুঠো আলাপে’ আজ কথা বললেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান।
ঘরবন্দী সময় কেমন কাটল?
ঘরবন্দি সময়টা পরিবারের সঙ্গেই কাটল। ভালোভাবেই কেটেছে। এই সময়টা নিজেকে জানার চেষ্টা করেছি। নিজেকে বোঝার চেষ্টা করেছি। আর একদমই যে ঘরবন্দি ছিলাম তা কিন্তু নয়। ঘরবন্দি সময়েও ঈদের দুটি নাচের অনুষ্ঠান করেছি। আর এখন তো লকডাউন উঠিয়ে দেওয়া হলো, আশা করছি ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আমরাও ধীরে ধীরে কাজে নেমে পড়ব।
এই সময়ে কী পড়লেন? কী দেখলেন?
আমি অনেকগুলা সেক্টরেই কাজ করেছি। কিন্তু অভিনয়ে আরও উন্নত হতে হবে। তাই এই সময়ে প্রচুর নাটক, সিনেমা দেখেছি। আমি ভবিষ্যতে বড় পর্দাতেও কাজ করতে চাই, তাই অভিনয়টা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য অভিনয় দেখার জন্যই বাংলা নাটক দেখেছি, এ ছাড়া নরমালি নাটক দেখার তেমন আগ্রহ পাই না।
অসহায়দের সহায়তার বিষয়ে জানতে চাই?
আমি ‘গিভ অ্যা হ্যান্ড’-এর উপদেষ্টা। এই সংগঠন থেকে আমরা এ পর্যন্ত ১ হাজার পরিবারকে সহায়তা দিয়েছি। এ ছাড়া সাতাশে রমজানে ৮০০ মানুষকে ইফতার করিয়েছি। ঈদের দিনে প্রায় ২০০ জনকে একবেলা খাইয়েছি। এ ছাড়া প্রায় ৫০জন নৃত্যশিল্পীর পরিবারকে ঈদ উপহার হিসেবে খাবার সহায়তা দিয়েছি।
করোনার আগে কী কী কাজ হাতে ছিল?
করোনায় লকডাউনের ঠিক দুদিন আগে ইন্ডিয়া থেকে ফিরেছি। কলকাতার একটি সিনেমায় অতিথি চরিত্রে কাজ করেছি। সেখানে একটি নাচে অংশ নিয়েছি। নাচটির পরিচালনা করেছেন বোম্বের নৃত্য পরিচালক, চিত্রগ্রাহকও ছিলেন বোম্বের। এটাই চলচ্চিত্রে আমার প্রথম কাজ। এর বাইরে কিছু বাংলাদেশি সিনেমাতেও কাজ করার কথা চলছে। লকডাউন শেষ হলে এগুলোতে কাজ করব।
করোনা সচেতনতায় আপনার বার্তা…
আমরা যারা এখনো সুস্থ আছি, তাদের উচিত এভাবেই সতর্ক থেকে পথ চলা। এখন যেহেতু লকডাউন খুলে দেওয়া হয়েছে তাই সতর্ক থেকে স্বাভাবিক কাজ করে যেতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব। আর যার যার জায়গা থেকে অসহায় মানুষ ও প্রাণীদের সহায়তা করবেন। সবার প্রতি এতটুকুই চাওয়া আমার।
