একমাত্র সাঁকোটিই ১০ গ্রামের মানুষের ভরসা

আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ০৪:৫৫ পিএম

মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের কলিমাজানি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে লৌহজং নদী। এই নদীই গ্রামটিকে দ্বিখণ্ডিত করেছে। বর্ষায় খেয়া নৌকা এবং শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকোই ওই গ্রামসহ এপার-ওপারের ১০টি গ্রামের মানুষের ভরসা। একটি ব্রিজই তৈরি হতে পারে দুই পারের মানুষের সেতুবন্ধন।

গোড়াই কলিমাজানি সড়কটি একটি ব্যস্ততম সড়ক। এই সড়ক এবং কলিমাজানি খেয়াঘাট হয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষের চলাচল। নদীর উত্তর পারে রয়েছে গ্রামের বাজার, গোড়াই নয়াপাড়া, ভানুয়াবহ, রানাসাল, নদীর দক্ষিণ পারে রয়েছে কলিমাজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পথহারা গ্রাম এবং গাজিপুরের কালিয়াকৈর ও ঢাকার ধামরাই উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

বর্ষায় খেয়া নৌকা এবং শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থীসহ বয়োবৃদ্ধ লোকজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে থাকে।

তাছাড়া গোড়াই শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকসহ দিন এবং রাতে অনেক শ্রমিক ঝুঁকি নিয়ে এই খেয়াঘাট হয়ে চলাচল করে। এর জন্য দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এই খেয়াঘাট পার হতে প্রত্যেকের লাগে দুই টাকা, সাইকেলসহ পাঁচ টাকা এবং মোটরসাইকেলসহ দশ টাকা।

এই নদীর উপর একটি ব্রীজ এলাকাবাসীর দীর্ঘীদিনের দাবি। এখানে একটি ব্রীজ নির্মাণ হলে মির্জাপুরের সাথে গাজিপুরের কালিয়াকৈর এবং ঢাকার ধামরাইয়ের সাথে সরাসরি যোগাযোগ সৃষ্টি হবে গত দশ বছরে মির্জাপুরের যোগাযোগ ব্যাবস্থার অনেক উন্নয়ন হলেও শিল্প এলাকা গোড়াইয়ের ওই অংশ অবহেলিতই রয়ে গেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

কলিমাজানি গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া বলেন, গ্রামের খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। এখানে একটি ব্রিজ হলে এই এলাকার অনেক উন্নয়ন এবং মানুষের যাতায়াত সহজ হবে।

গোড়াই ইউপি সদস্য একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের আল হেলাল বলেন, মির্জাপুরের দক্ষিণ পূর্ব অংশের আমরা অবহেলিত। এই খেয়াঘাটে একটি বি্রজ নির্মিত হলে এলাকাবসীর কষ্ট দুর হবে।

মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কলিমাজানি খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত