কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে আরও ২৬ জনের কভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় ১৭৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হল বলে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন।
এদিকে জেলার কুমারখালী উপজেলার শেরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শতবর্ষী বৃদ্ধ মোকাদ্দেস হেসেন দীর্ঘদিন ধরে রোগ ভোগের পর গত মঙ্গলবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর ওই বৃদ্ধের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে।
এটাকে করোনা সংক্রমণে জেলার প্রথম মৃত্যু হিসেবে চিহ্নিত করেন সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মৃত ওই বৃদ্ধের পরিবারের অন্য সদস্যদেরও নমুনাও সংগ্র করে পরীক্ষা করা হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে জেলার ২০১টি নমুনা পরীক্ষার ফল পাওয়া যায়।
এতে কুষ্টিয়ায় ২৬ জনকে নতুন সংক্রমিত বলে জানানো হয়। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১১ জন, দৌলতপুরে ৩ জন, কুমারখালীর ৩ জন এবং ভেড়ামারার ৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ১৮ রয়েছে পুরুষ ও ৮ জন নারী। বুধবার পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় ১৭৯ জন কভিড রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
আক্রান্তরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৬৫ জন, ভেড়ামারায় ৩৩ জন, দৌলতপুরে ২৮, কুমারখালীতে ২৬, মিরপুরে ১৫ ও খোকসাতে ১২ জন।
এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩৪ জন। বর্তমানে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৪০ জন রোগী।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ঈদের পর থেকে জেলায় হু-হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
তিনি বলেন, গত ৮দিনেই শনাক্ত হয়েছেন ১০৭ জন।
গত ২২ এপ্রিল কুষ্টিয়ায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
