আমদানি-রপ্তানি ও বিনিয়োগে মিথ্যা ঘোষণায় বড় অঙ্কের জরিমানা

আপডেট : ১২ জুন ২০২০, ০৭:৫১ এএম

আমদানি-রপ্তানিতে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেখানো কিংবা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ প্রক্রিয়ায় বেশিরভাগ অর্থ পাচার হয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবার এ ধরনের অপকর্ম ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। আমদানি ও রপ্তানিতে মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হলে, ওই পরিমাণ অর্থের পাশাপাশি এর ওপর আয়কর বিভাগ ৫০ শতাংশ জরিমানা আরোপ করবে। এছাড়া স্থানীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও কেউ মিথ্যা তথ্য দিলে তাকেও ৫০ শতাংশ জরিমানার মুখে পড়তে হবে।

বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিং এবং ভুয়া বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির বিষয়ে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের অপকর্ম প্রমাণ হলে ৫০ শতাংশ কর আরোপ হবে। এ উদ্যোগ অর্থ পাচার ও কর ফাঁকি রোধে ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ধরা যাক কেউ ১ কোটি টাকার পণ্য আমদানির বিপরীতে ৫০ লাখ টাকা দেখিয়েছেন। এটি আন্ডার ইনভয়েসিং হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে শুল্ককর ফাঁকি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে এনবিআরের পরীক্ষায় তা ধরা পড়লে বাকি ৫০ লাখ টাকা এবং ওই টাকার ওপর ৫০ শতাংশ হিসাবে আরও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। আবার ধরা যাক, কেউ ১ কোটি টাকার পণ্যের আমদানির মূল্য ২ কোটি টাকা দেখিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি বাড়তি ১ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন। সাধারণ স্বল্প শুল্ক কিংবা শুল্কবিহীন পণ্য আমদানিতে এ ধরনের কারসাজি করা হয়। এতে তার শুল্কও পরিশোধ করতে হয় না। অন্যদিকে তিনি বিদেশে সরাসরি অর্থ পাচার করে দিতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত