মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির রবিউল ইসলামকে (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে মেহেরপুর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গাংনী শহরের থানাপাড়ায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে রাখা হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের ওসি জুলফিকার আলী জানান, চলতি বছরের ২৩ মার্চ পুলিশ বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছে। মামলার অভিযোগ, ২২ মার্চ দিবাগত রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর গ্রামে নাশকতার উদ্দেশ্যে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে গোপন বৈঠক করে। সেখানে সরকারবিরোধী আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ সেকানে অভিযান চালালে তারা পুরিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ১০ জনকে আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও উল্লেখ করে মামলা হয়। এই পর্যন্ত এই মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। অন্যদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃত জামায়াত নেতাকে আজই (শনিবার) আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হবে।
এদিকে জামায়াত নেতা রবিউল ইসলামের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন জানান, রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা হয়েছে। তিনি অনেকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন আবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির কারণে তিনি বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে একেবারেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। এই মামলা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না। করোনা ও রাজনৈতিক হেনস্তার কারণে তারা কেউই বাড়ির বাইরে বের হন না। তারপরও মামলায় তার স্বামীকে আসামি করে আবারও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হলো বলে তিনি অভিযোগ করেন।
