টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চার শিশু ও এক বৃদ্ধাসহ একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মা ছেলে ও ভাই-বোন রয়েছে। এ নিয়ে এই উপজেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭৫ জন।
রবিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম।
জানা গেছে, স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গত ৭ জুন ১৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠায়। রবিবার তাদের মধ্যে ১১ জনের দেহে করোনা শনাক্তের খবর পান তারা।
আক্রান্তদের মধ্যে গোড়াই ইউনিয়নেরর নাজিরপাড়ার বাসিন্দা আটত্রিশ বছরের মা ও তার বারো বছরের শিশু পুত্র, একই বাড়ির নয় মাসের শিশু কন্যা। সদরের বাইমহাটি গ্রামের বারো বছরের শিশু ও তার ছয় বছরের বোন রয়েছে। উয়ার্শী ইউনিয়নের খৈলসিন্দুর গ্রামের আটচল্লিশ বছরের একজন, ফতেপুর ইউনিয়নের কুর্নী গ্রামের পঞ্চান্ন বছরের একজন পৌর সদরের পোষ্টকামুরী গ্রামের চল্লিশ বছরের নারী বাইমহাটি গ্রামের সত্তোর বছরের এক বৃদ্ধা, জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা বর্তমানে মির্জাপুর বাজারের পোষ্ট অফিস সংলগ্ন বাসা চব্বিশ বছরের নারী রয়েছেন।
শনিবারও মির্জাপুরে শিশুসহ ৯ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দুই দিনের আক্রান্তদেরসহ মির্জাপুরে মোট আক্রান্তের সংখ্য ৭৫ পূর্ণ হল। এর মধ্যে একজন মারা গেছে, ১৩ জন সুস্থ্ হয়েছেন এবং বাকি ৬২ জন নিজ বাড়িতে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রতিদিনই মির্জাপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে করণীয় সম্পর্কে রবিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক জানান, আক্রান্তদের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি চলছে।
