করোনা ভাইরাসের মহামারীতে শিক্ষার্থীদের অনলাইন আন্দোলনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর সাথে মেস মালিকদের সভা শেষে ৩৩ শতাংশ ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। এতে করে ৬৭ শতাংশ ভাড়া পরিশোধ করতে হবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মেসে থাকা প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থীর।
বৃহস্পতিবার বিকালে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র, মেস মালিক প্রতিনিধিদের মধ্যে মেস ভাড়া মওকুফ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভা শেষে সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
মেস ভাড়া মওকুফ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও উপদেষ্টা ড. শেখ সুজন আলী বলেন, আমরা মেস মালিক,স্থানীয় প্রশাসন,ছাত্র প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠক করেছি যে সিদ্ধান্ত এসেছে তা সম্মিলিতভাবে এসেছে। এতে করে মোট ভাড়ার ৩৩শতাংশ ভাড়া মওকুফ করা হয়েছে যা গত এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয়ে করোনা মহামারী চলমান সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
শিক্ষার্থীদের দাবী কতোটা পূরণ হয়েছে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সেই সাথে ত্রিশালেরই সন্তান। আমি প্রশাসন ও মেস মালিকদের বোঝাতে চেষ্টা করেছি শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা। কিন্তু এর বেশী আর কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী সালমান শাহ বলেন- আমরা ৩৩% এর দান খয়রাত চাই না ৫০% ভাড়া মওকুফ চাই।
এই ভাড়া কার্যকর হলে এপ্রিল মাস থেকে ১ হাজার টাকার মেস ভাড়ায় গুনতে হবে ৬৭০ টাকা।
