দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল গাড়ি। দ্রুত নতুন গাড়ি কিনেছেন। ফুটবলার মেসির জন্মদিনে ফুটবল হাতে ছবি পোস্ট করেছেন। এমন ছোট ছোট ঘটনা ঘিরেও সব সময় আলোচনায় ঢালিউড তারকা পরীমনি। কথা বলেছেন তিনি
মেসির জন্মদিনে...
ফুটবলের প্রতি ভালো লাগা অনেক আগে থেকে। ভক্তদের উৎসাহ দেখে সেই ভালো লাগা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তবে আমি কিন্তু শুধু মেসির ভক্ত নই, নেইমার ও রোনালদোর খেলাও আমার পছন্দ। তাদের একেকজনের একেকটি গুণ আমাকে মুগ্ধ করে। একটি দলকে পছন্দ করি বলে অন্য দলের ভালো খেলোয়াড়কে পছন্দ করতে পারব না, তা হয় না। আমি ফুটবল ভালোবাসি। যে বলটা হাতে ছবিটি পোস্ট করেছি, ওই কোম্পানির বল দিয়েই শেষ বিশ্বকাপে খেলা হয়েছিল। ওই সময় আমি কলকাতা থেকে ঢাকায় ফেরার পথে বলটি সঙ্গে এনেছিলাম। আনতে গিয়েই কাহিনী। বিমানবন্দর থেকে কোনোভাবেই বলটি আনতে দেবে না। আমি কেঁদে ফেলি। ফুটবলের জন্য কান্না দেখে বিমানবন্দরের লোকজন তো অবাক! তাদের মায়া হলো আমার প্রতি। একপর্যায়ে তাদের বুদ্ধিতে ফুটবল থেকে বাতাস বের করে চ্যাপ্টা করে বলটি বাংলাদেশে নিয়ে আসি।
নতুন গাড়ি...
নতুন যে গাড়িটি কিনেছি, সেটির দাম সাড়ে তিন কোটির মতো। শোরুম থেকে নিজেই চালিয়ে বাসায় ফিরেছি। গাড়িটার রং থেকে শুরু করে সবকিছু আমার পছন্দ হয়েছে। দুর্ঘটনায় আগের গাড়িটার সামনের অংশের অনেকখানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই নতুন আরেকটি গাড়ি কিনে ফেললাম। কিন্তু গাড়িটা নিয়ে বাসায় একটু ঝামেলায় আছি। নানাভাইকে কে যেন বুঝিয়েছে, এটা স্পোর্টস কার। এটাতে আরও বেশি বিপদ হতে পারে। তাই নানাভাই বিভিন্নজনের মাধ্যমে আমাকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছেন গাড়িটি যেন আমি না নিই। যদি গাড়িটি ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ করেন, তখন আমার কোনো উপায় থাকবে না। তাই ভয়ে আমি তার থেকে দূরে দূরে থাকছি।
ঘরবন্দি জীবন...
এখন খুব একঘেয়ে লাগে। কোথাও বের হই না। একঘেয়েমি কাটাতে মাঝে রাতের বেলা ফাঁকা শহরে কিছু সময়ের জন্য ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। সপ্তাহখানেক হলো নানাভাইকে বাসায় এনেছি। এখন নানাভাইকেই বেশি সময় দিচ্ছি। তার জন্য প্রতিদিন খাবার তৈরি করি। এর বাইরে জিম করি, সিনেমা দেখি। এই করোনার মধ্যে দিনযাপনের শিডিউল বদলে গেছে। রাত হয়েছে দিন, দিন হয়েছে রাত।
শ্যুটিংয়ে...
করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ দুটিই বাড়ছে। মাসখানেকের মধ্যে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার বাকি কাজের শিডিউল চেয়েছেন পরিচালক। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজ করি? সিনেমাটিতে অনেক ছোট ছেলেমেয়ে আছে। সিনেমার বাদবাকি শিল্পীরা যদি সমস্যা মনে না করেন, তাহলে নির্দিষ্ট শিডিউলেই আমাকেও শ্যুটিং করার কথা ভাবতে হবে। শুধু আমার জন্য তো শ্যুটিং আটকে রাখা যাবে না। তারপরও লোকেশনে সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবেশ নিশ্চিত করেই কাজটি করতে হবে।
