হলিউডের সেলিব্রিটি জুটি জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ডের সংসার ভেঙেছে তিন বছর আগে। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এখনো তাদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে।
সম্প্রতি লন্ডনের আদালতে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তারা। ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ অভিনেতার আইনজীবী অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় তার মক্কেলকে ভোদকার বোতল ছুড়ে মারেন অ্যাম্বার। যার জেরে ডেপের আঙুল দুই ভাগ হয়ে যায়।
অন্যদিকে ডেপের বিরুদ্ধে পাল্টা মারধরের অভিযোগ করেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’-খ্যাত অ্যাম্বার।
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রে জনি ডেপের বিরুদ্ধে অ্যাম্বারকে মারধরের অভিযোগ করা হয়। এরপর সেই সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন ৫৭ বছর বয়সী নায়ক।
লন্ডনের আদালতে সেই মামলা শুনানি ছিল। শুনানিতে সংবাদপত্রের আইনজীবী দাবি করেন, তাদের কাছে ডেপের বিরুদ্ধে মারধরের তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। আইনজীবীর দাবি, “ডেপের হাতে আঁকা এই ট্যাটু নিয়ে হাসাহাসি করেছিলেন অ্যাম্বার। তাতেই চটে যান অভিনেতা। অ্যাম্বারকে ব্যাপক মারধর করেন।”
তবে সাবেক স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন ডেপ। বরং স্ত্রীর হাতে আহত হওয়ার অভিযোগ আনেন আদালতে। তার লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিয়ের পরেও একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন অ্যাম্বার। ২০১৫ সালে টেসলার প্রধান নির্বাহী এলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান অভিনেত্রী। এরপর সহ-অভিনেতা জেমস ফ্রাঙ্কোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। অবশ্য এর সবই অস্বীকার করেছেন অ্যাম্বার।
২০১১ সালে ‘দ্য রাম ডায়েরি’ ছবির সেটে দুজনের দেখা হয়। ডেপ তখন ফরাসি অভিনেত্রী ও গায়িকা ভেনেসা পারাদিসের সঙ্গে ১৪ বছরের সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু অ্যাম্বারের কারণে ২০১২ সালে সেই সম্পর্কে ইতি টানেন। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ডেপ-অ্যাম্বারের বিয়ে হয়। কিন্তু কয়েকদিনের মাথায় সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। ১৫ মাস পরেই আদালতে ডিভোর্সের আবেদন করেন অ্যাম্বার। অবশষে ২০১৭ সালে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়।
