যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন আগামীকাল সোমবার। ভোটের ব্যালটে তিন জনের মার্কা থাকলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন। নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণার পর বিএনপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ এ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সে লক্ষ্যে গত ৯ মার্চ প্রতীক গ্রহণ করেন নৌকা মার্কার শাহীন চাকলাদার, ধানের শীষের আবুল হোসেন আজাদ ও লাঙল প্রতীকের হাবিবুর রহমান হাবিব। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্বাচন কমিশন ২৯ মার্চ নির্বাচন স্থগিত করে।
পরবর্তীতে গত ৪ জুলাই নির্বাচন কমিশন ১৪ জুলাই উপনির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করে। পরদিন বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়।
এ কারণে নির্বাচনের মাঠে নেই ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আজাদ। নতুন তারিখ ঘোষণার পর প্রচার চালিয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ও লাঙল প্রতীকের জাতীয় পার্টি (এরশাদ) সমর্থিত হাবিবুর রহমান হাবিব।
যশোরের কেশবপুর উপজেলা নিয়ে জাতীয় সংসদের যশোর-৬ আসন। উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ জানান, এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৩ হাজার ১১৮। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২ হাজার ১২২ জন ও নারী ভোটার ১লাখ ৮৯৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৭৯টি। ৩৭৪টি বুথ, দায়িত্ব পালন করবেন ৭৯ জন প্রিজাইটিং অফিসার, ৩৭৪ জন সহকারী প্রিজাইটিং অফিসার ও ৭৪৮ জন পোলিং অফিসার।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান জানান, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।
গত ২১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে এ আসনটি শূন্য হয়।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জানান, ভোট কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় ১৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ১১ জুলাই নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেছিলেন, করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটাররা ভোট দেবেন।