কেরানীগঞ্জে ফের চালু সিলগালা হওয়া পানির কারখানা

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২০, ০১:২১ পিএম

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জের আগানগর ইউনিয়নের পূর্ব ঈমাম বাড়ি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে তিনটি অবৈধ পানির কারখানা সিলগালা করে দেয় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ। কয়েক মাস না যেতেই আবারও চালু করা হয়েছে অবৈধ সেই পানির কারখানাগুলো।

সরেজমিনে পূর্ব ঈমামবাড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতোই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই কারখানাগুলোতে মটরের সাহায্যে মাটির গভীর থেকে পানি তুলে ফিল্টারিং ছাড়াই সরাসরি বোতলজাত করা হচ্ছে। কোনো কারখানাতেই পানি ফিল্টার করার স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র এখনো বসানো হয়নি। প্রতিটি কারখানার পরিবেশ আগের মতোই অস্বাস্থ্যকর।

কারখানাগুলো সিলগালা করার সময় পানির লাইন, বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হলেও রহস্যজনকভাবে আবারও চালু করা হয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ লাইন। আগানগর ইউনিয়নের পাশেই তিনটি কারখানা হলেও কোনো নজরদারি নেই ইউনিয়ন পরিষদের।

এলাকার কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান, অবশ্যই প্রশাসনের লোক জড়িত আছে এর সাথে, না হলে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কারখানাগুলো কিভাবে চলে? আর বিচ্ছিন্ন হওয়া বিদ্যুৎ লাইন কিভাবে জোড়া লাগলো?

এ ব্যাপারে আগানগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর শাহ খুশির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পানির কারখানা তো আমি বন্ধ করে দিয়েছি, খুলেছে কি না তা আমারা জানা নাই।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, প্রতিষ্ঠান অবৈধ হলেও বাড়ির জায়গা অবৈধ না। বাড়ির মালিকরা আবেদন করেছিলেন তাদের বাড়িগুলো খুলে দেয়ার জন্য এবং তারা বলেছিলেন অন্য প্রতিষ্ঠান ভাড়া দেবেন। কিন্তু আবার যে পানির কারখানাগুলো চলছে সেটা আমার জানা নাই। বিষয়টি আমি দেখছি। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদেরও এ ব্যাপারে দায়িত্ব নেবার প্রয়োজন ছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অবৈধ পানির কারখানা থেকে দুজন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন-  মো. মনির (৪৩) ও আনোয়ার হোসেন (৩৮)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মনির হোসেনকে ৭ ও আনোয়ার হোসেনকে ১৫ দিনের সাজা দেওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত