লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত মো. রাশেদের লাশ ফেরত চান তার পরিবার। তাদের এখন একটাই দাবি মৃতদেহ যেন দ্রুত দেশে আনা হয়।
এদিকে সোমবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নন্দলালপুরে রাশেদের বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে চলছে শোকের মাতম। কিছুতেই থামছে না রাশেদের মায়ের কান্না। তার এখন একটাই আকুতি ‘আমার বাবা ধনের লাশ যেন আমার বুকে ফিরিয়ে দেয় বাংলাদেশের সরকার’।
ররিবার (৯ আগস্ট) রাশেদের পরিচয় শনাক্ত হয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত রাশেদ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নন্দলালপুর এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে। রাশেদরা দুই ভাই, দুই বোন। ভাইদের মধ্যে রাশেদ বড়। তিনি ৬ বছর ধরে লেবাননে একটি হোটেলে চাকরি করতেন।
রাশেদের মা লুৎফুন্নেছা বেগম দেশ রূপান্তরকে বলেন, এখন আমার তো চাওয়ার কিছু নাই। আমি চাই দ্রুত যেন আমার বাবাধনের লাশটি দেশে আসে। আমি শুধু বাবাধনের লাশটি চাই। আমার সন্তানকে যেন আমাদের কবরস্থানে দাফন করতে পারি।
দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সেরি ও ফার্স্ট সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিক মোহাম্মদ রাশেদ বিস্ফোরণের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন, তাকে হারুন হাসপাতালে শনিবার মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
বৈরুতে গত মঙ্গলবার ভয়াবহ দুটি বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ সদস্যসহ ১০৮ প্রবাসী আহত হন। মারা গেছেন পাঁচজন। আহত বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশটির তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় বিভিন্ন দেশের দেড় শতাধিক জন নিহতের পাশাপাশি ৬ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।
