কোয়ার্টার-ফাইনালে থেমে যেতে হলো বার্সেলোনাকে; শেষ ষোলো রাউন্ড থেকেই বিদায় হয়েছে জুভেন্তাসের। যার অর্থ, চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগে আর খেলা হচ্ছে না লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। তাতে দীর্ঘ ১৫ বছর পর তারকা এই দুই ফুটবলারের অংশগ্রহণহীন সেমি-ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে এই প্রতিযোগিতা।
পর্তুগালের লিসবনে শুক্রবার রাতে শেষ আটের লড়াইয়ে বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলে হারে বার্সেলোনা। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপ সেরার এই প্রতিযোগিতায় এর আগে এত বড় হার আর দেখেনি মেসিরা।
এর আগে গত সোমবার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে লিঁও’র কাছে হেরে বিদায় নেয় জুভেন্তাস। টানা নবমবারের মতো সেরি আ শিরোপা ঘরে তুললেও চ্যাম্পিয়নস লিগে আরও একবার ব্যর্থতার পরিচয় দিল ইতালিয়ান ক্লাবটি। রোনালদোর মতো তারকা ফুটবলারকে নিয়েও এই প্রতিযোগিতায় গল্পটা পাল্টাতে পারল না জুভেন্তাস।
নিজ নিজ দল বিদায় নেওয়ায় চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনালে মেসি বা রোনালদো কারোর খেলা দেখতে পাবে সমর্থকেরা। এই প্রতিযোগিতায় ২০০৪-০৫ মৌসুমের পর কখনো এমন হয়নি।
শুধু তাই নয়, গত বছরের মধ্যে এই প্রথম স্প্যানিশ কোনো ক্লাবের অংশগ্রহণ ছাড়া সেমি-ফাইনাল হতে যাচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগে। বার্সেলোনার আগেই এবারের আসরের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। সবশেষ ২০০৬-০৭ মৌসুমে কোনো স্প্যানিশ ক্লাব ছাড়াই শেষ চারের লড়াই হয়েছিল চ্যাম্পিয়নস লিগে।
তবে ওইবার সেমি-ফাইনালে কোনো স্প্যানিশ ক্লাব না থাকলেও ছিলেন রোনালদো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে এসি মিলানের বিপক্ষে শেষ চারের লড়াইয়ে খেলেছিলেন পর্তুগিজ এই ফরোয়ার্ড।
মেসি-রোনালদো না থাকার অর্থ চ্যাম্পিয়নস লিগের পরবর্তী রাউন্ড দুটি অনেকটা আকর্ষণ হারাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আক্রমণভাগের এই দুই খেলোয়াড়ের ঝুলিতে রয়েছে ১১টি ব্যালন ডি’অর; মেসির ছয়টি, রোনালদোর পাঁচটি। ২০০৮ সালের পর ২০১৮ সালে লুকা মদ্রিচ ছাড়া এই দু’জনের বাইরে আর কেউ বর্ষসেরা ফুটবলারে পুরস্কারটি কেউ জিততে পারেনি।
