খানাখন্দে ভরা আনোয়ারার রুস্তমহাট সড়ক

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০৮:৪৭ এএম

খানাখন্দে ভরা এবড়ো-খেবড়ো সড়ক। ভাঙাচোরা রাস্তার বিভিন্ন স্থানে জমে আছে ময়লা পানি। বৃষ্টি হলে পানি জমে সড়ক হয়ে ওঠে জলাশয়। বেহাল সড়কে যান চলাচলে প্রতিনিয়তই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। পায়ে হেঁটে চলাও দায়। কার্পেটিং, পিচ ও পাথর উঠে দেখা দিয়েছে বড় বড় গর্ত। যান চলে হেলেদুলে। দেখা দেয় অনাকাক্সিক্ষত যানজট। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বটতলী রুস্তমহাট মোহছেন আউলিয়া সড়কের বর্তমান চিত্র এটি। গত শুক্রবার সরেজমিন মোহছেন আউলিয়ার মাজার গেইট থেকে রুস্তমহাট বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কজুড়ে এই চিত্র চোখে পড়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র বটতলী রুস্তমহাট। এক বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই হাটে অর্ধশতাধিক স্বর্ণের দোকান ও তিনটি বড় বিপণিবিতান ছাড়াও দেড় হাজারেরও বেশি দোকানপাট রয়েছে। অধিকাংশ সড়কের ওপর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। মোহছেন আউলিয়া দরবারের সামনের সড়কে রয়েছে অসংখ্য গর্ত। বৃষ্টি হলে হয় থকথকে কাদা, রোদ থাকলে ধুলাবালি। এতে সড়ক দিয়ে চলাচল করা বিভিন্ন যান, যাত্রী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মোহছেন আউলিয়া সড়কের একাধিক বাস ও ট্রাকচালক জানান, সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত রয়েছে। চরম ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হয়। বাস ও ট্রাক কাত-চিৎ হয়ে যায়। সড়কটির অধিকাংশ প্রশস্ত করা হলেও অদৃশ্য কারণে রুস্তমহাট এলাকায় প্রশস্ত করা হয়নি। ফলে সরু সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয় বটতলী ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মান্নান চৌধুরী বলেন, এলাকাবাসীর চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। রোদ হলে ধুলাবালি আর বৃষ্টি হলে হাঁটু সমান কাদা হয়। এতে যানবাহনসহ পথচারীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।

দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করে সড়কটি সংস্কার করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত