‘বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত না করলে তারা আবার ষড়যন্ত্র করবে’

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৭ পিএম

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলেও এর নেপথ্যের কুশীলবদের চিহ্নিত করতে হবে উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। এই কুশীলবদের চিহ্নিত করতে না পারলে তারা আবার ষড়যন্ত্র করবে। তাই তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি কমিশন গঠন করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

রবিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল শোকসভায় এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। 

শোকসভায় অংশ নেওয়া আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, কুশীলবদের চিহ্নিত করতে এই কমিশনের কর্মপরিধি কি হবে, কিভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আমাদের এখন থেকেই চিন্তা ভাবনা করা উচিত। কারণ এ দায়িত্ব আইন মন্ত্রণালয় ও আইন কমিশনের ওপরই পড়বে।

তিনি বলেন, আমরা বলে থাকি কিছু বিপদগামী সামরিক অফিসাররা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আসলে তা নয়। যদি তাই হতো, তাহলে তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করত। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করত না। তারা সেদিন ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল।

আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের মাধ্যমে কয়েকজনকে ফাঁসি দেওয়া হলেও তাকে হত্যার কলঙ্ক কিন্তু এখনো মোচন হয়নি। এই কলঙ্ক তখনই মোচন হবে যখন আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারব।

সভায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত