নীলফামারীতে ৯ চিকিৎসকসহ ৫১ জনের করোনা শনাক্ত

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২০, ০৩:০৯ পিএম

নীলফামারীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. রাশেবুল হোসেনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জনসহ ১১ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের প্রতিবেদন আসে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে।

এ নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তাসহ মোট ৫১ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

এদের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জনসহ ৯ জন চিকিৎসক, ১৭ জন নার্স এবং ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জন চিকিৎসক, ১৩ জন নার্স, ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জনসহ ৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় দিনাজপুরের এম. আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ থেকে নমুনা পরীক্ষায় ১১ জনের করোনা পজিটিভের প্রতিবেদন আসে। প্রত্যেকেই সদর উপজেলার বাসিন্দা। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. রাশেবুল হোসেন ও জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের রয়েছেন।  

গত ১৩ আগস্ট সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মন অবসরে যাওয়ায় ওই দিন থেকে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সরদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেবুল হোসেন।

রবিবার নতুন ১১ জনসহ জেলায় মোট ৭৬৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন ৬৮৪ জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ জন।

এর মধ্যে জেলা সদরে শনাক্ত ৩৬৫ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩২২ জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। জলঢাকা উপজেলায় ১১৭ জন শনাক্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০১ জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন।

সৈয়দপুর উপজেলায় ১০১ জন শনাক্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮৯ জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন।

কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৪৩ জন শনাক্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪১জন আর মৃত্যুবরণ করেছেন একজন। ডিমলা উপজেলায় ৭৫ জন শনাক্তে মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৭ জন এবং ডোমার উপজেলায় ৬৭ জন শনাক্তের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৪ জন। এই দুই উপজেলায় এখন পর্যন্ত কেউ করোনা রোগে মৃত্যুবরণ করেনি। 

নীলফামারীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. রাশেবুল হোসেন সোমবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘হালকা জ্বর, সর্দি ও কাশি শুরু হওয়া করোনা সন্দেহে আমি গত ১৫ আগস্ট নমুনা প্রদান করি। রবিবার রাতে নমুনা ফলাফলে আমার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। বর্তমানে আমি নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন আছি। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট জাঙ্গীর আলমের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত