পার্বতীপুর উপজেলা

সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে অনীহা কৃষকদের

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২০, ০১:২৪ এএম

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নানা কারণে ব্যাহত হচ্ছে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম। নির্ধারিত সময়সীমার প্রায় সাড়ে তিন মাস পেরিয়ে গেলেও লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশ ধানও সংগ্রহ করতে পারেনি উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর। এর জন্য খোলাবাজার ও সরকারি ক্রয়মূল্যের মধ্যে পার্থক্য কম থাকা এবং সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে নানা হয়রানি বিবেচনায় কৃষকদের অনীহাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে ৩১ আগস্টের মধ্যে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৪ হাজার ১৯১ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে পার্বতীপুর উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র এক-চতুর্থাংশ (১ হাজার ৩৮৬ মেট্রিক টন) ধান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি বছর পার্বতীপুরে ২৮ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ২৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ হয়। খোলাবাজারে প্রতি কেজি ধান ২৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে তা বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা দরে। কিন্তু সেখানে ধূলিকণা, ঝাড়াই-বাছাই ও ১৪ শতাংশ আর্দ্রতার ধান সরবরাহে কৃষকদের অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. দেলোয়ার হোসেন সরকার জানান, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের জন্য ফোনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও কৃষকরা  খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। এ জন্য এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত