মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাহাত খান। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজার পর বাদ জোহর তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে বেলা ১১টায় জানাজার পর প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান রাহাত খানের কফিনে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় ইস্কাটনের নিজ বাসায় মারা যান ৮০ বছর বয়সী রাহাত খান। রাতে মরদেহ রাখা হয় বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে।
গতকাল বেলা ১১টায় মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আনা হলে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শাহেদ চৌধুরীর পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী ও প্রয়াত রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান প্রমুখ। শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে অনুষ্ঠিত হয় জানাজা। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর্বে রাহাত খানের কফিনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের
নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা জানায়। পরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্মচারী ইউনিয়ন, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, উদীচীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান বলেন, ‘এই দুঃসময়ে যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ পরে রাহাত খানের কফিন প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় তেজগাঁওয়ে প্রতিদিনের সংবাদ কার্যালয়ে। সেখান থেকে বাদ জোহর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
