রাজধানীর চকবাজারে অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদন, মজুত ও বাজারজাতকরণের অপরাধে ৫ প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দিয়েছে র্যাব ৩ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিপুল পরিমাণ পলিথিন উদ্ধারসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে প্রত্যেককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. বাচ্চু (৩০), মো. শহিদুল ইসলাম (২৬), মো. রফিকুল ইসলাম (২৫), মো. মিজানুর রহমান (৩০), মো. আলাউদ্দিন (২৯), মো. উজ্জ্বল (৩০), আলামিন (২৩), রাসেল (২৬), মো. রিপন (৪৫) এবং মো. শহিদ (৫০)।
রবিবার চকবাজারের দেবীদাস ঘাট এলাকায় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। অভিযান পরিচালনা করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।
র্যাব-৩ জানায়, গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জে কে এন্টারপ্রাইজ, ফ্রেশ রোল, মেসার্স শাওন এন্টারপ্রাইজ, আনোয়ার এন্টারপ্রাইজ এবং নাম বিহীন একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ করে (যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ কোটি টাকা)।
গ্রেপ্তারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ পলিথিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ করছে।
অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু দেশ রূপান্তরকে বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় পলিথিন মজুত ও কারখানার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে প্রথমে ১৬ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধ্যে থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। প্রত্যেককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, মজুত ও বিক্রি করায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়। অভিযানে পাঁচটি কারখানা থেকে দুই কোটি টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়। মালিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করবে পরিবেশ অধিদপ্তর।
