এবার ঐক্যবদ্ধ হলেন কণ্ঠশিল্পীরা। গঠন করলেন ‘কণ্ঠশিল্পী পরিষদ, বাংলাদেশ’ নামে সংগঠন। ৮ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে—‘কণ্ঠশিল্পী পরিষদ, বাংলাদেশ’-এর আহ্বায়ক নির্বাচন করা হয়েছে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ ও নন্দিত গায়ক হাসান আবেদুর রেজা জুয়েল।
নবগঠিত কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে আছেন—কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, খুরশীদ আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, লিনু বিল্লাহ, শাহীন সামাদ, পাপিয়া সারোয়ার, ফেরদৌস আরা, তপন মাহমুদ, ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা ও ইয়াকুব আলী খান।
সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন—ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা, সাদি মহম্মদ, কিরণ চন্দ্র রায়, তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, আসিফ আকবর, অদিতি মহসিন, খায়রুল আনাম শাকিল, শফি মণ্ডল, রবি চৌধুরী, এস আই টুটুল, আগুন, আঁখি আলমগীর, চন্দন সিনহা, দিনাত জাহান মুন্নী, অনিমা রায়, প্রিয়াংকা গোপ, মঈদুল ইসলাম খান শুভ, জয় শাহরিয়ার, কিশোর দাস, সোমনুর মনির কোনাল, ইলিয়াস হোসাইন।
নবনিযুক্ত আহ্বায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন—২০২১ সালে পালিত হবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ দীর্ঘ ৫০ বছরেও অবহেলিত সংগীতাঙ্গনের মানুষদের জন্য কোনো সুষ্ঠু রূপকল্প বা নীতিমালা তৈরি করা যায়নি। সংস্কৃতির অন্য সব ধারায় আছে শক্তিশালী সংগঠন, ঐক্য। তারা সাংগঠনিকভাবে নিজেদের দাবি-দাওয়া আদায় করতে পারেন। আজ কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে এক বৃহৎ ঐক্যের দুয়ার খুলে গেল।
প্রতিকূল সময়ের কারণে সব শিল্পীর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। এ জন্য কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠশিল্পীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি উন্মুক্ত রেখেছেন বলেও জানিয়েছেন এই শিল্পী।
