কুড়িগ্রামের রৌমারীতে আপন চাচার বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে বাঞ্ছারচর ব্র্যাক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ভাতিজিকে বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে চাচা সফিয়াল হক (৩৫)। পরে মেয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন মেয়েটিকে উদ্ধার করলেও ধর্ষক পালিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বরগণ আপস মীমাংসার চেষ্টা করে।
পরে বৃহস্পতিবার ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ওই ছাত্রীর মা অভিযোগ করে বলেন, এক মাস আগে সফিয়াল আমার মেয়েকে তার চাচির কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর বাড়ির গেট বন্ধ করে দিয়ে ধর্ষণ করে। এ কথা প্রকাশ না করার জন্য মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পাশাপাশি মোবাইলে ধারনকৃত ধর্ষণের ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় সফিয়াল।
এ সুযোগে আমার মেয়েকে গত ২ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে বাড়িতে একা পেয়ে ভয়ভীতি ও লোভ লালসা দেখিয়ে আবারও ধর্ষণ করে। বিষয়টি সরাসরি আমি ও আমার ছেলে বাড়িতে এসে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করলে সফিয়াল পালিয়ে যায়।
ধর্ষিতার বাবা বলেন, আমরা গরিব মানুষ । ধর্ষণের বিষয়টি থানায় মামলা করতে চাইলে, ধর্ষণকারী ও গ্রামের মাতব্বরগণ মামলা না করার হুমকি-ধমকি দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। মামলা দায়ের করতে নিষেধ করেন। গ্রামে কোন বিচার না পেয়ে, এনজিও ব্র্যাকের সহযোগিতায় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রৌমারী থানায় মামলা করেছি।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মোহাম্মদ দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে থানায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
